বাংলা হান্ট ডেস্কঃ লক্ষ্মী পূজার (Lakshmi Puja) আগে কলকাতার বাজারে ফল ও সবজির দাম (Fruits Vegetable Price Inflation) উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। লেক মার্কেট থেকে শুরু করে গড়িয়াহাটসহ বিভিন্ন পাড়ার বাজারে ক্রেতারা বেশি টাকা খরচ করেও কম জিনিস নিয়ে ফিরছেন এমনটাই খবর মিলেছে। যার ফলে পূজার নৈবেদ্য ও ভোগের উপকরণ কিনতে গিয়ে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো হিমশিম খেতে হচ্ছে।
লক্ষীপূজোর বাজারে দামের আগুন!
দুর্গাপুজোর পর কোজাগরী লক্ষীপুজো কমবেশি সব বাঙালি ঘরেই হয়ে থাকে। আর পুজো মানেই তার আয়োজনে ফল থেকে শুরু করে নৈবেদ্য লাগবেই। এসবের জন্য একটা মোটা খরচ ধরেই রাখেন যারা পুজো করেন। তবে এবছর বাজার করতে গিয়ে কার্যত ছেঁকা খেতে হচ্ছে বলে দাবি ক্রেতাদের।
এদিনের বাজারদর সম্পর্কে খোঁজ নিতে দেখা গেল আপেল বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১৫০ থেকে ৩০০ টাকায়। ভালো মানের ডালিমের দাম উঠেছে ৪০০ টাকা কেজি। বাতাবি লেবু প্রতি পিস ৭০-৮০ টাকা। লাল আঙুর প্রায় ৪০০ টাকা কেজি আর কালো আঙুর ৬০০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। সবজিও কোনো অংশে কম যাচ্ছে না! বেগুন ৮০-১২০ টাকা, ফুলকপি পিসপ্রতি ৭০-৮০ টাকা, কাঁচালঙ্কা ১০০ টাকা কেজি দাম হয়ে গিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ‘চরম পর্যায়ে পুলিশের অত্যাচার…’, বিজেপিকে রাজনৈতিকভাবে লড়াইয়ের চ্যালেঞ্জ মমতার!
কি কারণে এতটা উর্ধমুখী সবজি থেকে ফলের দাম?
হটাৎ কেন এতটা বেড়ে গেল দাম? এই প্রশ্নের উত্তরে ব্যবসায়ীরা বলছেন, লক্ষ্মী পূজায় ফলের চাহিদা বাড়ে। কারণ আপেল, কলা, ডালিম, আঙুর নৈবেদ্য হিসেবে লাগে। তবে পরিবহন খরচ বেড়েছে, সাথে ফলের সংরক্ষণকাল কম হওয়ায় নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিও দাম বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ। অন্যদিকে সবজির ক্ষেত্রে গরমের মৌসুমের জোগান কমতে শুরু করেছে। অথচ শীতকালীন সবজি এখনও পুরোপুরি বাজারে আসেনি। তাছাড়া ছুটির কারণে ট্রাকচালক থেকে শুরু করে মজুর ও মিডলম্যানরা কাজে না থাকায় সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে।
ক্রেতারা দরদাম করে এক স্টল থেকে অন্য স্টলে ঘুরছেন। অনেকেই সস্তা মানের ফল কিনছেন বা শুধু পূজার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রেই সীমাবদ্ধ রাখছেন। ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, ভাইফোঁটার পর চাহিদা কমলে আর শ্রমিকরা কাজে ফিরলে দাম হয়তো কিছুটা কমবে। যদিও সেটা কতটা সত্যি হবে তা সময়ই বলবে।














