আর্টিফিশিয়াল রেজাল্ট! নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে হারের পর সাফাই কুণালের

Published on:

Published on:

Kunal Ghosh calls Nandigram Rejinagar By-Election results Artificial
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পুজোর মুখেই নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে (Nandigram, Rejinagar By-Election) বিরাট জয়লাভ করেছে বিজেপি সরকার (BJP Government)। আর ভোটের এই ফলাফল নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগড়ে দেওয়ার পাশাপাশি, পুলিশ প্রশাসন এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুললেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)।

এটা ভোটার রেজাল্ট নয়, আর্টিফিশিয়াল রেজাল্ট : কুনাল ঘোষ

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ভোটের ফলাফল নিয়ে চরম কটাক্ষ করে কুণাল বললেন, ‘দেখুন এটা কোনো ভোটই হয়নি। এটা কোনো রেজাল্ট-ই নয়। এটা টোটালি আর্টিফিশিয়াল, ম্যানুফ্রাকচার রেজাল্ট । এর সাথে জনগণের মতামতের কোনো সম্পর্ক নেই।’

নির্বাচন প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষের আরও দাবি, ‘প্রথমত অনেক ভোটার এসআইআর লিস্টে নেই। দ্বিতীয়ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসের ক্যান্ডিডেট থেকে শুরু করে যারা যারা ওয়াকার্স ছিল তাদের থ্রেট করেছে, অ্যারেস্ট করেছে, এলাকা থেকে সরিয়ে দিয়েছে, এজেন্ট আমরা দিতে পারিনি কারণ অনুমতি দেওয়া হয়নি। আপনারা সবাই, পাবলিক যখন বুথে ভোট দেওয়ার জন্য যান পুলিশ ব্লক করে দিয়েছি, যেতে দেওয়া হয়নি। তো এটা কোনো নির্বাচন হয়নি।’

আরও পড়ুনঃ হাতির জন্যও থাকবে রাস্তা! উত্তরবঙ্গে ৫টি আন্ডারপাসের জন্য ২০৭৭ কোটির প্রজেক্ট রাজ্য সরকারের

তৃণমূল বিধায়কের দাবী, ‘যদি ঠিকঠাক নির্বাচন হত তাহলে নন্দীগ্রামে মমতা ব্যানার্জি সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থী এবং রেজিনগরে মমতা ব্যানার্জির প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী ওনার জেতার পুরো চান্স ছিল। কিন্তু ভোট-ই তো হতে দেওয়া হয়নি। এটা কোনো নির্বাচনই হয়নি। এর থেকে তো ভালো যেদিন ইলেকশন কমিশন ইলেকশন অন্যাউন্স করে তার সাথে সাথে ওই দুটো সিট বিজেপি-ই জিতেছে বলে দিতে পারে। এটা কি ধরণের প্রহসন। এসবের কি দরকার?’

একইসঙ্গে কুণাল ঘোষের অভিযোগ, ‘পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লী সহ দেশের অন্যান্য রাজ্যেও ভোট চুরি করে এই সরকার চালানো হচ্ছে।’ প্রসঙ্গত আগামীকাল দিল্লীতে সিজেপির প্রটেস্ট আছে। এপ্রসঙ্গে তিনি বললেন, ‘আজ দেখা যাচ্ছে দিল্লি যাওয়ার সমস্ত ট্রেন ক্যান্সেল করে দেওয়া হয়েছে। খবর আসছে দিল্লীতে কাল সব মেট্রোর গেট বন্ধ থাকবে। তাহলে এটা তো প্যানিক রিয়াকশন হয়ে গিয়েছে। ভয় পেয়ে গিয়েছে সরকার।’

তাঁর আরও দাবী, ‘নতুন প্রজন্ম থেকে, ককরোচ জনতা পার্টি, এবং বিরোধীদের ওরা তো ভয় পেয়ে গিয়েছেন। কৃষকরা যখন আন্দোলন করেছিলেন তখনও ওনারা একই ভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা প্রয়োগ করেছিলেন ওদের দমন করার জন্য। তো এখন থেকে শুরু হয়ে গিয়েছে ওনাদের প্যানিক রিয়াকশন। রাজধানী এক্সপ্রেস ক্যানসেল, মেট্রো অপনারা জানেন কি করা হয়েছে। তো কাল ওনারা যেটা করছেন সেটা কোনো গণতান্ত্রিক পদ্ধতি নয়।’

সবশেষে কুণাল ঘোষের সংযোজন, ‘বুথের রেজাল্ট আমাদের সামনে এসেছে। যে সংখ্যা এসেছে সেটা ভয়াবহ।’ তাই এটা ভোট হয়েছে নাকি ছাপ্পা হয়েছে সেই প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘কিন্তু আসলে কি হয়েছিল? আসল ফিগার কী ছিল সেটা দেখা হচ্ছে।’