রেশন নিয়ে কড়াকড়ি! নিষ্ক্রিয় করা হবে এইসব গ্রাহকদের কার্ড, জারি নির্দেশিকা

Published on:

Published on:

Lakhs of Ration card might get deactivated Government of West Bengal to start new drive
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ তৃণমূল জমানায় রেশন দুর্নীতির অভিযোগে উত্তাল হয়ে উঠেছিল রাজ্য রাজনীতি। নাম জড়িয়েছিল একাধিক হেভিওয়েটের। এবার ক্ষমতায় আসতেই রেশন নিয়ে কড়াকড়ি শুরু করল বিজেপি সরকার (Government of West Bengal)। ‘অযোগ্য’ এবং ‘ভূতুড়ে’ গ্রাহক চিহ্নিত করতে চালানো হবে বিশেষ অভিযান, বাতিল করা হবে তাঁদের রেশন কার্ড (Ration Card)।

বাতিল হতে পারে কয়েক লক্ষ রেশন কার্ড (Ration Card)!

চলতি বছর রাজ্য জুড়ে এসআইআর হয়েছে। এবার তার উপর ভিত্তি করেই রেশনের ক্ষেত্রে বিশেষ অভিযান চালাবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ইতিমধ্যেই এসআইআরে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া গ্রাহকদের খাদ্যসাথী প্রকল্প থেকে বাদ দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

এই নিয়ে বৃহস্পতিবার খাদ্য দফতরের তরফে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, এসআইআরে নাম বাদ যাওয়া ৬৩ লক্ষ ভোটারকে চিহ্নিত করে তাঁদের রেশন কার্ড নিষ্ক্রিয় করা হবে। তবে তাঁদের মধ্যে যে সকল ভোটার সিএএ-র আওতায় নাগরিকত্বের আবেদন জানিয়েছেন ও যারা নাম বাদ যাওয়ার পর ট্রাইবুনালে আবেদন করেছেন, তাঁরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া অবধি রেশন পাবেন। তাঁদের রেশন কার্ড আপাতত নিষ্ক্রিয় করা হচ্ছে না।

আরও পড়ুনঃ ঘুরপথে যাতায়াত অতীত! এবার ট্রেনে চেপেই গঙ্গাসাগর? হাজার হাজার পুণ্যার্থীর জন্য খুশির খবর

এখন প্রশ্ন হল, কীভাবে এই অভিযান চালানো হবে? সরকারি সূত্রে খবর, বিডিও, এসডিও-রা নিজেদের এলাকায় বাদ যাওয়া ভোটারদের নামের তালিকা খাদ্য ও সরবরাহ বিভাগে পাঠিয়ে দেবেন। এরপর সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্তারা নাম বাদ যাওয়া ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাঁদের নাম বাদ গিয়েছে কিনা, বর্তমান অবস্থা কী এসব যাচাই করবেন।

এই যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হলে ‘অযোগ্য’ গ্রাহকদের রেশন কার্ড নিষ্ক্রিয় করা হবে। আগামী ১৫ জুনের মধ্যে সরকার এই কাজ শেষ করতে চাইছে। এক আধিকারিক এমনটাই জানিয়েছেন।

Centre Decides to Provide Free Ration Scheme for Another 5 Years

সব মিলিয়ে, রাজ্যে পালাবদল হতেই রেশন নিয়ে কড়াকড়ি শুরু হয়েছে। দুর্নীতি সমূলে শেষ করতে উদ্যোগী হয়ে উঠেছে নতুন সরকার। এসআইআরের তালিকার উপর ভিত্তি করে এবার বিশেষ অভিযান চালানো হবে। এতে ‘অযোগ্য’ এবং ‘ভূতুড়ে’ গ্রাহক চিহ্নিতকরণের পাশাপাশি প্রত্যেক বছর বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থের অপচয় বন্ধ করা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।