SIR ইস্যুতে বড় লড়াই! ধর্মতলায় ধর্না মঞ্চে মমতা, কতদিন চলবে এই কর্মসূচি?

Published on:

Published on:

Mamata Banerjee Begins Dharna at Dharmatala Over Voter List Row
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যে ভোটের আবহ যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। একদিকে বিজেপি রাজ্যজুড়ে ‘পরিবর্তন যাত্রা’ শুরু করে সরকার বিরোধী প্রচার জোরদার করছে, অন্যদিকে এই সময়েই আজ থেকে কলকাতার ধর্মতলায় ধর্নায় বসতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

২০ বছর পর ফের ধর্নায় মমতা (Mamata Banerjee)

ইতিমধ্যেই ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে ধর্নার মঞ্চ তৈরি হয়ে গিয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে তৃণমূলের বিধায়ক এবং নেতারা সেখানে পৌঁছতে শুরু করেছেন। দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, শুধু একদিনের কর্মসূচি হিসেবে নয়, এই ধর্না আরও কয়েকদিন চলতে পারে। সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে এই অবস্থান কর্মসূচি চালানোর। সেই কারণেই দলের মন্ত্রী, মুখপাত্র এবং বক্তাদের কয়েকদিনের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

ধর্না মঞ্চ থেকেই ধারাবাহিকভাবে বক্তব্য রাখবেন তৃণমূলের নেতারা। কোনও এক সময়ে মুখ্যমন্ত্রীও এই মঞ্চ থেকেই তাঁর অবস্থান স্পষ্ট করতে পারেন বলে দলীয় সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে। এই কর্মসূচির মূল কারণ রাজ্যের ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বা এসআইআর।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর (Mamata Banerjee) অভিযোগ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে অনেক বৈধ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, যা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পক্ষে অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এই বিষয়টি ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টেও পৌঁছেছে। সেখানে মামলা চলছে এবং বিষয়টি নিয়ে আইনি লড়াইও শুরু হয়েছে।

Mamata Banerjee Begins Dharna at Dharmatala Over Voter List Row

আরও পড়ুনঃ সুপ্রিম কোর্টে জমা পড়তে পারে DA কমিটির রিপোর্ট, রিভিউ পিটিশনের পথে রাজ্য সরকার?

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, ভোটের আগে এই ইস্যুকে সামনে এনে রাজ্যের বিভিন্ন বিতর্ক এবং সরকারবিরোধী অভিযোগ থেকে মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে ঘোরানোর চেষ্টা হতে পারে। অন্যদিকে বিজেপি এই ধর্নাকে খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছে না। দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের দাবি, রাজ্যের মানুষের মধ্যে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ এতটাই বেড়েছে যে মমতার (Mamata Banerjee) এই ধরনের কর্মসূচি কোনওভাবেই পরিস্থিতি বদলাতে পারবে না। তাঁর কথায়, রাজ্যে পরিবর্তন হওয়া এখন সময়ের অপেক্ষা।