‘পার্টির কথা এখন বলা যাচ্ছে না’! কোন দলে আছেন বললেনই না মমতার ভাইয়ের স্ত্রী

Published on:

Published on:

Mamata Banerjee sister in law Kajari Banerjee refuses to comment about her political party
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বিধানসভা ভোটে ভরাডুবির পর তৃণমূল কার্যত ভেঙে খান খান হয়ে গিয়েছে। একের পর এক নেতা-নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) হাত ছেড়ে দিচ্ছেন। এই আবহে নিজের রাজনৈতিক পরিচয় বলতে চাইলেন না খোদ তৃণমূল নেত্রী ভাইয়ের স্ত্রী। একটি জনপ্রিয় সংবাদমাধ্য়মের তরফে কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Kajari Banerjee) কোন পার্টির জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, “পার্টির কথা এখন বলা যাচ্ছে না”।

কাজরীর বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্তরে তোলপাড়! | (Kajari Banerjee)

সোমবার কলকাতা পুরসভায় আয়োজিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে কলকাতার সদ্যপ্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম, মালা রায়, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়, কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায় সহ শহর কলকাতার একাধিক কাউন্সিলর ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ DA চর্চার মাঝেই রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য জরুরি খবর! নয়া নির্দেশিকা জারি নবান্নের

সেখানেই একটি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মমতার ভ্রাতৃবধূ তথা কাউন্সিলর কাজরী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর থেকে সম্পূর্ণ সহযোগিতা চাইব। আগামী যে ক’দিন আমরা কাউন্সিলর আছি, আমাদের কাজ করতে যেন কোনও সমস্যা না হয়। মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর টিমের আছে আমাদের এটুকুই আশা”।

কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে কিনা জিজ্ঞেস করায় কাজরী বলেন, “আপাতত কোনও সমস্যা হয়নি।“ মেয়রের পদ থেকে ফিরহাদ হাকিম ইস্তফা দেওয়ায় তাঁরা কোথাও ছন্নছাড়া হয়ে গিয়েছেন কিনা প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “আমরা এখনও পর্যন্ত এই ধরনের কোনও সমস্যার সম্মুখীন হইনি”।

বিধানসভা ভোটের পর তৃণমূলের অন্দরে ‘বিদ্রোহ’ শুরু হয়েছে। কাজরীও এদিন মুখ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে যোগ দেন। তিনি বিদ্রোহী বা বিক্ষুব্ধ কিনা জিজ্ঞেস করায় হাসতে হাসতে বলেন, “আমরা সহযোগিতা প্রার্থী। কলকাতা পুরসভার কাজ চালানোর ক্ষেত্রে আমরা সম্পূর্ণরূপে সহযোগিতা প্রার্থী।“

Mamata Banerjee and Kajari Banerjee

এখনও তৃণমূলে আছেন কিনা জিজ্ঞেস করায় কাজরী বলেন, “আমি বলেছি আমি সহযোগিতা প্রার্থী।“ তিনি তৃণমূলে আছেন নাকি নেই সেই বিষয়টি খোলসা করেননি মমতার ভাইয়ের স্ত্রী। তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় জানতে চাওয়ায় বলেন, “আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী, একটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। পার্টির কথা এখন বলা যাচ্ছে না”।

বিগত দেড় মাসে তৃণমূল কার্যত দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে। পরিষদীয় দলের পর তৃণমূলের সংসদীয় দলও ভেঙেছে। এবার কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারেও বিদ্রোহের ছায়া? এদিন কাজরীর প্রতিক্রিয়ায় সেই জল্পনাই মাথাচাড়া দিয়েছে।