‘লোডশেডিং করে দিতে পারে ওঁরা’, ভবানীপুর নিয়ে বিস্ফোরক সতর্কবার্তা মমতার, কেন বললেন?

Published on:

Published on:

Mamata Banerjee warns of ‘load shedding’ after Bhawanipore poll
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভবানীপুরকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। ভোটের আগে কর্মীদের সতর্ক থাকতে বিশেষ বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। শুধু ভোটের দিন নয়, ভোট শেষের পরেও সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়ে ‘লোডশেডিং’ প্রসঙ্গ তুলে নতুন করে বিতর্ক উস্কে দিলেন তিনি।

কর্মীদের উদ্দেশ্যে কী বললেন মমতা (Mamata Banerjee)?

কলকাতার ভবানীপুরে তৃণমূলের কর্মিসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে দলের কর্মীদের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। রবিবারের ওই সভায় তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ভোট শেষ হয়ে গেলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। বরং সেই সময়ই আরও বেশি সতর্ক থাকতে হবে। কর্মীদের উদ্দেশ্যে মমতা বলেন, “ভোট শেষ হলেই বাড়ি চলে যাবেন না। লোডশেডিং করে দিতে পারে।” মমতার আশঙ্কা, ভোট-পরবর্তী সময়ে কোনও ধরনের বিঘ্ন ঘটানো হতে পারে। সেই কারণেই স্ট্রং রুমে কড়া নজর রাখার নির্দেশ দেন তিনি।

এবারের নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ২০২১ সালের মতোই আবার মুখোমুখি হচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাঁচ বছর আগে নন্দীগ্রামে অল্প ব্যবধানে হেরে গিয়েছিলেন মমতা। সেই ফলাফল নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে তিনি অভিযোগ করেছিলেন, লোডশেডিংয়ের মাধ্যমে তাঁকে হারানো হয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটেই ভবানীপুরে কর্মীদের সতর্ক করে দেন তিনি। পাশাপাশি তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও কর্মীদের লক্ষ্য ঠিক করে দেন, কমপক্ষে ৬০ হাজার ভোটে জিততে হবে মমতাকে। আত্মতুষ্টিতে না ভোগার বার্তাও দেন তিনি।

Mamata Banerjee starts North Bengal campaign ahead of Bengal Assembly Election 2026

আরও পড়ুনঃ ভবানীপুরে ‘৬০ হাজার’-এর লক্ষ্য! মমতার জয়ের নতুন অঙ্ক কষলেন অভিষেক

এদিন সভা থেকে কেন্দ্র ও বিজেপিকেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মমতা (Mamata Banerjee)। তাঁর অভিযোগ, “ওরা গ্যাস দিতে পারে না, কিন্তু নির্বাচনে ক্যাশ দেয়।” একই সঙ্গে তিনি জানান, এসআইআর-এর সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় কারও নাম বাদ পড়লে তৃণমূল আইনি সহায়তা করবে। ভোট মিটলেই দলের পরবর্তী লক্ষ্য যে ‘মিশন দিল্লি’, তাও স্পষ্ট করে দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। ভবানীপুরের এই সভা থেকে তাই শুধু স্থানীয় লড়াই নয়, জাতীয় রাজনীতির ইঙ্গিতও মিলল।