বাংলা হান্ট ডেস্ক: মেঘালয়ের (Meghalaya) পূর্ব জয়ন্তিয়া পাহাড়ের একটু অবৈধ কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ফলে প্রাণ গেল ১৮ জন শ্রমিকের। এখনো ওই ঘটনায় বহু শ্রমিক আটকে রয়েছে বলে সূত্রের খবর। বিস্ফোরণে জেরে খনির মুখে ধ্বস নেমে ভেতরে আটকে পড়েন বহু শ্রমিক। ইতিমধ্যে সেখানে উদ্ধারকাজ চলছে। পাশাপাশি এই মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে প্রশাসন। পাশাপাশি এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
মেঘালয়ে কয়লা খনিতে বিস্ফোরণে মৃত ১৮, আটকে আরও শ্রমিক (Meghalaya)
এই ঘটনার পর মেঘালয় (Meghalaya) পুলিশের ডিজি জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সকালে পূর্ব জয়ন্তিয়া পাহাড়ে থাংসকু এলাকায় এই বিস্ফোরণটি ঘটেছে। ঘটনা খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান উদ্ধারকারী দল। পাশাপাশি তল্লাশি শুরু করেছে উদ্ধারকারীর দল।

আরও পড়ুন: কাজ এগোল কতটা? কলকাতা মেট্রোর দরজা বসানো নিয়ে মালার প্রশ্নে উত্তর এল, স্পষ্টতা এল না
তবে এই ঘটনার বিষয় মেঘালয় পুলিশের ডিজি জানান,”আমরা এখনও পর্যন্ত ১৬টি মৃতদেহ উদ্ধার করেছি৷ বিস্ফোরণের সময় খনির ভিতরে কতজন শ্রমিক ছিলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়৷ ভিতরে আরও কয়েকজন আটকে থাকতে পারেন৷” পাশাপাশি দুর্ঘটনার পর থেকেই উদ্ধারকারী দল তল্লাশি ও উদ্ধারকাজে নেমেছে।
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ঘটনাস্থলে অবৈধ কয়লা খননের কাজ চলছিল। তবে ওই খনির ভেতরে বেআইনিভাবে কয়লা সংগ্রহ করার সময় এই বিস্ফোরণটি ঘটে। কিন্তু কিভাবে এই বিস্ফোরণ ঘটলো তা তদন্ত করে দেখবে পুলিশ। পাশাপাশি এই দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে মৃতদের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড এস সাংমা।
এই ঘটনায় যাদের গাফিলতি রয়েছে বা যারা এই ঘটনার পিছনে রয়েছে তাদের কাউকে রিয়াদ করা হবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন মেঘালয়ের (Meghalaya) মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি এই দুর্ঘটন আর খবর পেয়ে পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নিচ্ছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এবং তিনি মেঘালয় মুখ্যমন্ত্রী সঙ্গেও কথা বলেছেন। পাশাপাশি এই দুর্ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ২ লক্ষ টাকা মৃত পরিবারের জন্য এবং আহতদের জন্য টাকা করে সাহায্যের ঘোষণা করেছেন নরেন্দ্র মোদি। পাশাপাশি এই ঘটনার শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপ্রতি দ্রৌপদী মুর্মু।












