পরবর্তী রাজ্য পুলিশের ডিজি হতে চলেছেন কে? ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রস্তাব পাঠানোর নির্দেশ

Published on:

Published on:

Nabanna has been instructed to send a proposal for the next DGP.
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: রাজ্য পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ (DGP) নিয়োগ নিয়ে এবার শুরু হল দ্বৈরথ। রাজ্য পুলিশের পরবর্তী ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ কে হবে তা নিয়ে অনেকদিন ধরে চাপানউতোর চলছে। নবান্ন (Nabanna) থেকে ১০ জন সিনিয়র আইপিএস অফিসারের নাম পাঠানো হয়েছে। ২৩ জানুয়ারি এই প্রস্তাব পাঠানোর শেষ দিন ছিল।

কে হবে রাজ্য পুলিশের পরবর্তী ডিজি(DGP)?

আইপিএস অফিসার রাজেশ কুমার এই পরিপ্রেক্ষিতে মামলা করেন। তার কর্মজীবন শেষ পর্যায়ে। তিনি আবেদন জানিয়েছিলেন যে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাকে ডিজি হওয়ার পদ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে গণশিক্ষা প্রসার এবং গ্রন্থাগার পরিষেবা দপ্তরের প্রধান সচিব। তিনি ১৯৯০ এর ব্যাচের আইপিএস। তার মামলার পরিপ্রেক্ষিতে জানানো হয়েছে যে, রাজ্য সরকার এ ব্যাপারে কোন আইপিএস অফিসার কে বঞ্চিত করতে পারেনা।

আগামী ৩১ জানুয়ারি ডিজি পদ থেকে অবসর নেওয়ার কথা আই পি এস অফিসার রাজীব কুমারের। তিনি ভারপ্রাপ্ত ডিজি। আগের স্থায়ী ডিজি ছিলেন মনোজ মালবীয়। তিনি অবসর নেন ২০২৩ সালে ডিসেম্বর মাসে। সেই সময় থেকেই এই চাপানউতোর নতুন শুরু হয়। কারণ রাজ্য থেকে প্যানেল পাঠানো হয়েছিল ২৭ ডিসেম্বর। কিন্তু ইউপিএসসি মনে করছে যে, সেপ্টেম্বর মাস ছিল এই প্যানেল পাঠানোর যোগ্য সময়।

আরও পড়ুন:মাঘের শুরুতেই অনেকটা বেড়েছে সোনার দাম, ২২ ও ২৪ ক্যারেট হলুদ ধাতুর আজকের লেটেস্ট রেট জানুন

নিয়ম অনুযায়ী ডিজি পদের জন্য সিনিয়র আইপিএস অফিসারদের মধ্য থেকে নামের তালিকা পাঠাতে হয় ইউপিএসসিকে। সেখান থেকে তারা তিনজন এর নাম সিলেক্ট করে দেয়। যেটা আসে রাজ্যের কাছে। রাজ্যকে তাদের মধ্যে থেকে একজনকে বেছে নিতে হয়। ডিজি নিয়োগের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব বা তার নির্বাচিত কোনো সদস্য, কেন্দ্রীয় আধা সেনার কোন ডিজি, ইউপিএসসির একজন প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মুখ্য সচিব ও স্থায়ী ডিজি বৈঠক করে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেন যে কাকে পরবর্তী ডিজি করা হবে।

আরও পড়ুন:SIR শুনানির লাইনে দাঁড়িয়েও জীবন যুদ্ধের লড়াই, বৃদ্ধার হাতে ভিক্ষার বাটি

Nabanna has been instructed to send a proposal for the next DGP.

ইউপিএসসি কে ২৮ জানুয়ারি একটি বৈঠক করতে হবে। এই বৈঠক হবে এমপ্যালেমেন্ট কমিটির এবং ২৯ জানুয়ারি বা তার আগে প্যানেল প্রস্তুত করে রাজ্য সরকারের কাছে তা পাঠাতে হবে এবং সেই প্যানেল থেকে যত দ্রুত সম্ভব এ ব্যাপারে যথাযথ সিদ্ধান্ত নিতে হবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে। বিচারাধীন এই মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ পড়েছে ১১ মার্চ।