বাংলা হান্ট ডেস্ক: রীতি মেনে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিনে সমারোহে অনুষ্ঠিত হয়েছে নৈহাটির ঐতিহ্যবাহী বড়মার ১০৩ তম বর্ষের খুঁটি পুজো (Naihati Boro Ma)। তারপর থেকে শুরু হয়েছে মায়ের মূর্তি তৈরি করার কাজ। প্রতিবছরের ন্যায় এই বছরও কালীপুজোর লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগম হয় এই মন্দিরে।
বড়মার ভোগ পেতে কী করবেন? রইল সময়সূচি (Naihati Boro Ma)
এই বছরও ভক্তদের সামলানোর জন্য প্রস্তুত ইতিমধ্যে নিয়েছেন নৈহাটি বড় মার মন্দিরের (Naihati Boro Ma) পুজোর উদ্যোক্তারা। পাশাপাশি চোরবাগান সর্বজনীন এর পদপিষ্টের ঘটনার থেকে শিক্ষা নিয়ে বিশেষ প্রস্তুতি ইতিমধ্যে নিয়েছেন তারা। পুজোর কদিন মায়ের দর্শন এর পাশাপাশি ভোগের লাইনেও পরের চোখে পড়ার মতন লাইন। এর জন্য মন্দিরে আগত দর্শনার্থীদের কুপন সংগ্রহ করতে হয়। আজকের প্রতিবেদনে রইল কোথা থেকে পাবেন এই কুপন এবং কিভাবে পাওয়া যাবে বড়মার ভোগ সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য।

আরও পড়ুন: কলকাতা থেকে একাধিক উড়ান বাতিল, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ব্যাহত বিমান চলাচলও
পুজোর কদিন ভোগের প্রসাদ হিসেবে- খিচুড়ি, পাঁচমিশালী তরকারি, পোলাও, আলুর দম, সাদা ভাত, লুচি ও মিষ্টি দেওয়া হয়। প্রতিবছর পুজো উপলক্ষে সন্ধ্যায় নানারকম মিষ্টি দাবা হয় বড়মাকে। এবার আগামী ৮ নভেম্বর কালীপুজো। আর সেই পুজো উপলক্ষে ভোগের প্রসাদ ৭ও ৮ নভেম্বর সংগ্রহ করা যাবে। নৈহাটি নরেন্দ্র উচ্চ বিদ্যানিকেতন বয়েস স্কুল ও নৈহাটি মহেন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় এবং নৈহাটি পৌরসভায় রাত ১:৩০ মিনিট থেকে দুটোর মধ্যে কুপন সংগ্রহ করতে হবে দর্শনার্থীদের। পুজো শেষে ৮ নভেম্বর রাতে খুলে দেওয়া হবে বড়মার ভোগের কাউন্টার।
রাত আড়াইটা থেকে শ্যামরোড ও জগবন্ধু মোড় এর কাউন্টার থেকে এই ভোগ বিতরণ করা হবে। পাশাপাশি ৮ নভেম্বর বিকেল সাড়ে পাঁচটায় মাকে বরণ করা হবে। রাত সাড়ে ১১ টায় প্রতিষ্ঠিত করা হবে ঘট। পুজো শুরু হবে রাত বারোটায়। অঞ্জলি হবে রাত দেড়টায়। এরপর রাত আড়াইটা থেকে ভোগ বিতরণ শুরু করা হবে।
পাশাপাশি ৯ নভেম্বর থেকে ১১ নভেম্বর দুপুর সাড়ে নটা পর্যন্ত এই ভোগ বিতরণ করা হবে। ১২ নভেম্বর সকাল সাড়ে সাতটায় বিসর্জনের পুজো করা হবে। এরপর সাড়ে দশটায় মায়ের গহনা খোলা হবে। দুপুর দুটোয় মাকে বরণ শুরু করা হবে। তারপর বিকেল চারটের সময় প্রতিমা নিরঞ্জন করা হবে (Naihati Boro Ma)।












