বাংলাহান্ট ডেস্ক : বিভিন্ন সময় একাধিক ঘটনায় বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এসেছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University)। বছর তিন আগে এক পড়ুয়ার রহস্যমৃত্যুর পর গত বছর ফের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভেতরে ঝিল থেকে উদ্ধার হয় আরেক ছাত্রীর দেহ। এরপরেও কখনও বহিরাগতদের প্রবেশ, কখনও ক্যাম্পাসে পড়ুয়াদের মাদক সেবনের মতো অভিযোগ উঠেছে। এবার বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিরাগতদের প্রবেশ, সমাবেশের মতো বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জারি হয়েছে একগুচ্ছ নির্দেশিকা।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University) জারি নতুন নির্দেশিকা
এই নতুন নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, সন্ধ্যা সাতটা থেকে সকাল সাতটা পর্যন্ত যেকোনো উদ্দেশ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে হলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত বৈধ পরিচয়পত্র থাকা বাধ্যতামূলক, যা প্রয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটে দেখানো হতে পারে। কারোর কাছে যদি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত বৈধ পরিচয়পত্র না থাকে তবে তাকে অন্য কোনও বৈধ পরিচয়পত্র দেখাতে হবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটে রাখা রেজিস্টারে যার সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন তার যাবতীয় বিবরণ দিতে হবে।

কী বলা হয়েছে নির্দেশিকায়: এখন থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশ করার জন্য দু চাকা বা চার চাকার যানবাহনে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক জারি করা পার্কিং স্টিকার লাগাতে হবে। স্টিকারবিহীন যানবাহন প্রবেশের আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটে নিবন্ধন নম্বর লিখতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) ক্যাম্পাসের যেকোনো অংশেই মাদকদ্রব্য বা অন্য কোনও অবৈধ পদার্থের ব্যবহার এবং যেকোনো অবৈধ কার্যকলাপ নিষিদ্ধ। কেউ এই নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। পাশাপাশি সকাল এবং সন্ধ্যায় অনুপ্রবেশ এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে জনসাধারণের যাতায়াতের পথ হিসেবে ব্যবহার করায় নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে।
আরও পড়ুন : রঙ খেলায় নিষেধাজ্ঞা, দোলে দুদিন বন্ধই থাকবে সোনাঝুরি হাট
অনুপ্রবেশ নিয়ে কড়া নিষেধাজ্ঞা: পরবর্তী কোনও নির্দেশ না আসা পর্যন্ত রাত আটটার পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সান্ধ্যকালীন ক্লাসের পড়ুয়াদের ছাড়া অন্য কোনও দলবদ্ধ সমাবেশ করা যাবে না। বৈধ কারণ ছাড়া বা রাত আটটার পরে অনুমতি ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কাউকে পাওয়া গেলে তাকে অনুপ্রবেশকারী হিসেবে গণ্য করা হবে।
আরও পড়ুন : দোলে ঘুরে আসুন পুরী, স্পেশ্যাল ট্রেনের ব্যবস্থা করছে পূর্ব রেল
রাতের ইনচার্জ সহ নিরাপত্তা কর্মীরা প্রবেশ এবং প্রস্থান পয়েন্ট নিয়ন্ত্রণের জন্য দায়বদ্ধ থাকবে। নির্দেশিকায় এও বলা হয়েছে, নিরাপত্তা কর্মীদের প্রতি যেকোনো ধরণের খারাপ আচরণ, ভীতি প্রদর্শনের জন্য গুরুতর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।












