বাংলা হান্ট ডেস্ক : রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর কথা রাখতে শুরু করেছে নতুন বিজেপি সরকার। নির্বাচনী প্রচারে, আটকে থাকা নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, ক্ষমতায় এসেই তা কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তারই মধ্যে দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা ডব্লিউবিসিএস (WBCS) পরীক্ষার দিনক্ষণ ঘোষণা করল পাবলিক সার্ভিস কমিশন। ২০২৪ সালে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলেও নানা জটিলতার কারণে এতদিন পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে নতুন প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে পরীক্ষার সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।
ডব্লিউবিসিএস (WBCS) পরীক্ষার নির্ঘণ্ট
কমিশনের তরফে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ১৪ জুন রাজ্যজুড়ে ডব্লিউবিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। কলকাতা-সহ মোট ২৩টি জেলার ২৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার নির্ধারিত সময় রাখা হয়েছে দুপুর ১২টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত। পাশাপাশি জানানো হয়েছে, আগামী ৪ জুন থেকে পরীক্ষার্থীরা অনলাইনে অ্যাডমিট কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন। নির্দিষ্ট সরকারি পোর্টাল থেকেই সেই ই-অ্যাডমিট ডাউনলোড করা যাবে।
কমিশনের তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, পরীক্ষার পরবর্তী সমস্ত তথ্য ও বিজ্ঞপ্তি পাওয়া যাবে সরকারি ওয়েবসাইট psc.wb.gov.in -এ। পরীক্ষার্থীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, সকাল সাড়ে ১১টার মধ্যেই সকলকে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পরে কোনও প্রার্থীকে কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হবে না বলেই জানানো হয়েছে।
রাজ্য সরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ডব্লিউবিসিএস পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। গ্রুপ A, B, C এবং D ক্যাডারের চাকরির জন্য এই পরীক্ষার মাধ্যমে প্রার্থী বাছাই করা হয়। গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়া কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হয়। প্রথমে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নেওয়া হয়। সেই ধাপ উত্তীর্ণ হলে মেন পরীক্ষায় বসার সুযোগ মেলে।

আরও পড়ুন : ‘এই রায় মানুষের..’, বাংলার ভোট ফল নিয়ে ফের বিস্ফোরক তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক
এরপর মেন পরীক্ষায় সফল প্রার্থীদের পার্সোনালিটি টেস্ট বা ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হয়। শেষ পর্যন্ত মেন পরীক্ষা ও ইন্টারভিউয়ে প্রাপ্ত নম্বরের উপর ভিত্তি করেই তৈরি করা হয় চূড়ান্ত মেধাতালিকা। দীর্ঘ অপেক্ষার পর পরীক্ষার দিন ঘোষণা হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে চাকরিপ্রার্থীদের একাংশের মধ্যে। এখন পরীক্ষার সুষ্ঠু আয়োজন ও নিরপেক্ষভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দিকেই নজর থাকবে সকলের।













