বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সম্প্রতি রাজ্যে সপ্তম পে কমিশনের (Pay Commission) ঘোষণা করে দিয়েছে রাজ্য সরকার। তবে নয়া পে কমিশন কবে থেকে সরকারি কর্মীদের জন্য কার্যকর হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। এরই মধ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলায় দাঁড়িয়ে বড় ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। শাহের প্রতিশ্রুতি, ক্ষমতায় এলে ৪৫ দিনের মধ্যে সপ্তম বেতন কমিশন।
শাহের ঘোষণার পর পে কমিশন নিয়ে চর্চা তুঙ্গে | Pay Commission
শাহ (Amit Shah) বলেছেন,’ সারা দেশে সরকারি কর্মীরা সপ্তম বেতন কমিশন পাচ্ছেন। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে এখনও ষষ্ঠ কমিশন চলছে।’ তাঁর প্রতিশ্রুতি রাজ্যে বিজেপি (BJP) সরকার গড়লে ৪৫ দিনের মধ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু করা হবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই মন্তব্যে জোর চৰ্চা শুরু হয়েছে রাজ্য সরকারের কর্মচারী মহলে।
ইতিমধ্যেই শাহের এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে ‘সরকারি কর্মচারী পরিষদ’। বিজেপি প্রভাবিত সংগঠন সরকারি কর্মচারী পরিষদের জেলা সম্পাদক দেবাশিস সরকারের মন্তব্য, “যদি সদিচ্ছা থাকে, তবে ৪৫ দিনের মধ্যে সপ্তম পে কমিশন লাগু করা সম্ভব। আর যদি তা না থাকে তাহলে ৪৫০ দিনেও তা হবে না।”
তাঁর কথায় উঠে আসে সার্কিট বেঞ্চের কথা। বলেন, দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে জলপাইগুড়ির মানুষ সার্কিট বেঞ্চের জন্য দাবি জানাচ্ছিল, কিন্তু তা হচ্ছিল না। মোদী সরকারের সদিচ্ছার ফলেই জলপাইগুড়িতে সার্কিট বেঞ্চ উদ্বোধন হয়ে সেখানে বিচার ব্যবস্থাও চালু হয়েছে।
সরকারি কর্মীদের উদ্দেশে, দেবাশিস সরকারের আর্জি, “আমরা আবেদন করছি সকল সরকারি কর্মচারীরা এক ছাতার তলায় আসুন। ” একসঙ্গে লড়াই করে রাজ্যে বিজেপি সরকার স্থাপন করে আমাদের দাবিদাওয়া পূরণ করার কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুন: বিজেপির প্রার্থী তালিকায় বিরাট চমক, রাজ্যসভায় বাংলা থেকে প্রার্থী হলেন রাহুল সিনহা
যদিও বাম প্রভাবিত রাজ্য কো অর্ডিনেশন কমিটি এবং তৃণমূল প্রভাবিত পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশন অবশ্য শাহের এই ঘোষণাকে বিশেষ পাত্তা দিতে নারাজ। তাঁদের মতে, ভোটের জন্যই এই প্রতিশ্রুতি। ৪৫ দিনে নয় পে কমিশন গঠন আদৌ সম্ভব কি না সেই প্রশ্ন তোলা হয়েছে তাঁদের পক্ষ থেকে।












