হরমুজ বন্ধ থাকায় মিলবে না চায়ের সাথে ব্রেড-বিস্কুট! চরম সংকটে বেকারি শিল্প

Published on:

Published on:

Beakery Industry in cris as Diesel is not availabe for Industrial Use Bread Price Up
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ইরান ও আমেরিকার সংঘাতের জেরে বন্ধ স্ট্রেট অফ হরমুজ (Strait of Hormuz)। এর জেরে গোটা বিশ্বের পাশাপাশি ভারতের জ্বালানির ভাঁড়ারেও টান পড়েছে। এলপিজি সিলিন্ডারের সাপ্লাই নিয়ে মাঝে বেশ কিছুদিন টানাপোড়েন চলার পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও এবার ডিজেল নিয়ে জারি হয়েছে নির্দেশিকা। শিল্পে ডিজেল ব্যবহার করা যাবে না ৩ মাস, সরকারের এই ঘোষণার প্রিয় কার্যত চিন্তায় বেকারি ব্যবসায়ীরা (Bakery Business)।

প্রতিদিন সকালে চায়ের চুমুকের প্রিয় প্রিয় বেকারের বিস্কুট কিংবা টোস্টে কামড় বসান ছোট থেকে বড় প্রায় সকলেই। এছাড়া পাউরুটি সহ আরও একাধিক খাদ্যদ্রব্য তৈরী হয়ে রাজ্যের প্রায় ৩০০০ বেকারি ও বিস্কুট কারখানায়। কিন্তু সম্প্রতি কেন্দ্রের জারি করা নির্দেশিকায় ইডেন এইচপি ও ভারত এই তিন প্রেট্রোলিয়াম সংস্থাকেই শিল্পে ডিজেলের সাপ্লাই বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। যদিও ব্যক্তিগত ও কমার্শিয়াল জানবাহনগুলিতে পেট্রোল বা ডিজেল সবই ব্যবহার করা যাবে।

ডিজেলের ঘাটতির জেরে ইতিমধ্যেই রাজ্যের প্রায় ৯৫% বেকারি নিজেদের উৎপাদন কমিয়ে অর্ধেক করে দিয়েছে। এমনকি গ্রাম গঞ্জের বেশ কিছু বেকারি বন্ধও করে দেওয়া হয়েছে ডিজেলের অভাবে। কিন্তু মুশকিল হল বেকারির সাথে প্রায় ২৫ লক্ষ মানুষের জীবিকা জড়িয়ে। তাছাড়া হাসপাতাল, নার্সিং হোম, নন প্রফিট অর্গানাইজেশনের পাউরুটি সরবরাহ করা হত। কিন্তু আপাতত সেটা বন্ধ রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ফের বাড়ছে বাসি-পচা বিরিয়ানি বিক্রি? সারপ্রাইজ অভিযানে নেমে দোকান সিল খাদ্য দফতরের

এসপ্তাহের সোমবারেই বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও মনোজ আগারওয়াল। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাওয়ার আগে সবটা বুঝে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এদিকে সাপ্লাই কমতেই একাধিক জায়গায় বেশি দামে পাউরুটি বিক্রি শুরু হয়ে গিয়েছে বলেও অভিযোগ করা হচ্ছে।

সাধারণত বিভিন্ন শিল্পে ডিজেল ব্যবহার করা হয়। যার জন্য বড় বড় ড্রাম, খোলা পাত্র থেকে শুরু করে জারিকেনে পেট্রল ও ডিজেল ভরে নিয়ে যাওয়া হত। পেট্রল পাম্প থেকেই এই তেল দেওয়া হত। কিন্তু এবার সি বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা লাগানো হল। অবশ্য জলপথে পরিবহণকে (বোট) ছাড় দেওয়া হয়েছে।

এই প্রসঙ্গে ইন্ডিয়ান অয়েলের এক আধিকারিক জানান, মধ্যপ্রাচ্যের যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তার জন্যই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। শান্তি চুক্তি হতে চলেছে ঠিকই, তবে কখন পরিস্থিতি ঠিক হবে সেটা নিশ্চিত নয়।