পর্ষদের ছুটি নেই, বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে প্রাথমিক স্কুলে ছুটির ঘোষণা

Published on:

Published on:

No Official Poush Sankranti Holiday Several Districts Declare Local Closure
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ আজ বুধবার পৌষ সংক্রান্তি হলেও রাজ্যের প্রাথমিক স্কুলগুলিতে সরকারি ভাবে ছুটি (School Holiday) নেই। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রকাশিত ছুটির তালিকায় এই দিনটি নেই। কিন্তু সেই নির্দেশিকার মধ্যেই থেকে নিজেদের ক্ষমতা প্রয়োগ করে রাজ্যের একাধিক জেলা আলাদা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে কোথাও স্কুল বন্ধ, আবার কোথাও খোলা, এই দ্বিধাবিভক্ত পরিস্থিতি ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক।

সরকারি তালিকায় ছুটি নেই, তবু বন্ধ স্কুল (School Holiday)

প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রকাশিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী, আজ বুধবার পৌষ সংক্রান্তির কোনও ছুটি (School Holiday) নেই। রাজ্য সরকারের ক্যালেন্ডারেও এই দিনের জন্য ছুটির উল্লেখ নেই। সেই নির্দেশিকা মেনেই স্কুল চালু থাকার কথা। তা সত্ত্বেও রাজ্যের অন্তত ছ’টি জেলা নিজেদের ক্ষমতা প্রয়োগ করে আজ ছুটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছে কলকাতা, হাওড়া, পূর্ব মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদ। আরও কয়েকটি জেলা একই পথে হাঁটতে পারে বলে জানা গিয়েছে, যদিও সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত তথ্য মেলেনি।

পর্ষদ সভাপতির ব্যাখ্যা

এই প্রসঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল জানান, সরকারি নির্দেশিকা মেনেই ছুটির তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তিনি বলেন, “সরকারি ক্যালেন্ডারে পৌষ সংক্রান্তির ছুটি (School Holiday) নেই। বছরে মোট ৬৫টির বেশি ছুটি দেওয়া যায় না। পুজোর সময় লম্বা ছুটি থাকায় অন্য কিছু ছুটি কাটছাঁট করতে হয়েছে। তবে ডিপিএসসিগুলি নিজেদের বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে ছুটি দিতে পারে। আমাকে ওই সব জেলার নির্দেশিকা দেখতে হবে।”

কলকাতা ডিপিএসসি’র এক শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন, শিক্ষকদের তরফে ছুটির আবেদন ছিল। সেই কারণেই আজ ছুটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, একটি নির্দিষ্ট ছুটির ক্ষেত্রে ডিপিএসসি’র বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগে কোনও আইনি বাধা নেই।

Makar Sankranti Holiday East Midnapore Primary Schools Closed on January 14

আরও পড়ুনঃ নলেন গুড়কে ছুটি! পৌষ পার্বণে চকোলেট-ফল-কাস্টার্ডে পাটিসাপটা, নতুন রেসিপিতে চমক বাঙালি রান্নাঘরে

কেন ছুটি দিতে পারছে না দক্ষিণ ২৪ পরগনা?

অন্যদিকে, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা আজ পৌষ সংক্রান্তির (Poush Sankranti) ছুটি (School Holiday) দিতে পারছে না। কারণ, ওই জেলায় বার্ষিক স্কুল ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পরদিন আগেই একদিন ছুটি দেওয়া হয়েছিল। সেই কারণেই ছুটির সংখ্যা সীমার মধ্যে রাখতে গিয়ে আজ ছুটি রাখা সম্ভব হয়নি।