ভয়াবহ অবস্থা উত্তর সিকিমে! লাচেনে আটকে পড়া পর্যটকদের উদ্ধারে শুরু ‘অপারেশন হিম সেতু’

Updated on:

Updated on:

'Operation Him Setu' launched to rescue tourists stranded in Lachen landslide
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : উত্তর সিকিমে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জেরে বিপাকে পড়েছেন বহু পর্যটক। লাগাতার তুষারপাত ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে ধস (Lachen landslide) নামায় লাচেন ও চুংথাঙের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধারকাজে নামে ভারতীয় সেনা, শুরু হয় বিশেষ অভিযান।

লাচেনের ধসে(Lachen landslide) আটকে পর্যটক

জানা যাচ্ছে ধসে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে সড়ক পথ। খারাপ আবহাওয়া ও ভারী তুষারপাত উদ্ধার কাজে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। তবে সব প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে এর মাঝেই ভারতীয় সেনার ‘ত্রিশক্তি কোর’ পর্যটকদের উদ্ধার করতে অভিযানে নেমে পড়েছে। অভিযানের নাম ‘অপারেশন হিম সেতু’। গত রবিবার ধস নামে চুংথাং থেকে লাচেনগামী রাস্তায় তারাম চু সেতুর কাছে। ধসের কারণেই বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। তার দরুন বহু পর্যটকেরা এখনো আটকে রয়েছেন লাচেনে।

পরিস্থিতি আয়তে আনতে ভারতীয় সেনাদের সাথে কাজ করছে বর্ডার রোড্‌স অর্গানাইজেশন-এর (বিআরও)। পর্যটকদের নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরিয়ে আনার জন্য বরফ সরিয়ে তৈরি হয়েছে বিকল্প পথ। এমনকি অস্থায়ী ফুটবৃদ্ধ নির্মাণ করা হয়েছে পর্যটকদের সুবিধার্থে।

এই কঠিন পরিস্থিতিতে উত্তর সিকিম থেকে ১৩৫ জন পর্যটককে নিরাপদে সরিয়ে আনা গেছে। বরফে ঢাকা রাস্তায় সাধারণ মানুষের গাড়ি টেনে তুলছে সেনাদের ভারী গাড়ি। ধস কবলিত এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৩২ টি যানবাহন ও১০ টি মোটরসাইকেল। সেনাদের তরফে জানানো হয়েছে, এখনো লাচেনে আটকে রয়েছেন প্রায় ১০০০ পর্যটক। সেনাবাহিনীর তরফে আটকে থাকা পর্যটকদের খাবার পানীয় ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহ সিকিমে মনোরম পরিবেশ থাকার দরুন, বহু মানুষ ঘুরতে এসেছিলেন আর তার মাঝেই ঘটে যায় এই বিপত্তি।

'Operation Him Setu' launched to rescue tourists stranded in Lachen landslide

আরও পড়ুন :বড় ধাক্কা জ্বালানি বাজারে! হরমুজ বন্ধের প্রভাবে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী, জানুন আজকের রেট

উল্লেখ্য, যে সেতু ধসের কবলে পড়েছে, সেটি গত ফেব্রুয়ারি মাসেই উদ্বোধন করা হয়েছিল। উত্তর সিকিমের লাচেনের তারাম চু এলাকায় ওই সেতুর জন্য পর্যটকদের যাতায়াত সহজ হয়ে গিয়েছিল। আবহাওয়া অনুকূলে এলে উদ্ধার অভিযান আরও দ্রুত এগোবে বলে আশা করা হচ্ছে, এবং খুব শীঘ্রই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।