বাংলা হান্ট ডেস্ক: দেশের কোটি কোটি কৃষকের জন্য আবারও ভালো খবর। প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি যোজনার (PM Kisan) পরবর্তী কিস্তি নিয়ে নতুন আপডেট সামনে এসেছে। যাঁরা এই প্রকল্পের আওতায় রয়েছেন, তাঁদের এখনই নিজের স্ট্যাটাস দেখে নেওয়া জরুরি। কারণ, পেমেন্ট স্ট্যাটাসে যে পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। তবে এটি স্পষ্ট সরকার বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী কৃষাণ যোজনায় পরিমানের বাড়ানোর কোন পরিকল্পনায় নেই।
কিষাণ যোজনার কিস্তি কবে আসবে জানুন? (PM Kisan)
১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ জাতীয় বাজেট প্রকাশ করেন। এবার সেই বাজেট থেকে কৃষকদের অনেক প্রত্যাশা ছিল। কারণ কৃষন যোজনা (PM Kisan) সুবিধাভোগীরা আশা করেছিলেন যে এবারের বাজেট ঘোষণায় ৬,০০০ টাকা থেকে টাকা থেকে ১২০০০ টাকা বৃদ্ধি পাবে। তবে তা হয়নি।

আরও পড়ুন: বিয়ের মরশুমে ফের আকাশচুম্বী সোনার দাম! জানুন আজকের লেটেস্ট প্রাইস
এছাড়াও এই বাজেট অধিবেশনে নির্মলা সীতারমণ কৃষি ও কৃষক কল্যাণের মন্ত্রণালয় ২০২৬-২৭ সালের অগ্রাধিকার গুলি তুলে ধরেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী কৃষাণ সম্মান নিধিতে ৬৩৫০০ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে। কিন্তু এই প্রকল্পের বাজেটের আগে বাজেট আগের মতনই রয়েছে। যার ফলে এটি স্পষ্ট করে সরকার বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী কৃষাণ যোজনায় পরিমানের বাড়ানোর কোন পরিকল্পনায় নেই।
প্রসঙ্গত, এই যোজনার উপকৃত হন সারাদেশে প্রায় ৯.৫ কোটি কৃষক। পরিসংখ্যান দেখা গেলে প্রতিবছর প্রায় ৯.৫ কোটি কৃষক এই প্রকল্পের আওতায় পড়েন। পাশাপাশি এই প্রকল্পের অধীনে কৃষকদের বার্ষিক টাকা হিসেবে দেওয়া হয় ৬০০০ প্রতিবছর ২ হাজার টাকা হারে। তবে এই টাকা তাদের ব্যাংকের একাউন্টে সরাসরি জমা করা হয়।
তবে, প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি যোজনার ২২তম কিস্তি কবে আসবেকৃষকরা অধীর আগ্রহে প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি যোজনার ২২তম কিস্তির জন্য অপেক্ষা করছেন। সূত্রের খবর, কৃষকরা শীঘ্রই তাঁদের অর্থ পাবেন। তার উপর কিছু সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে প্রধানমন্ত্রী মোদি ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা স্থানান্তর করবেন। তবে, ২২তম কিস্তির তারিখ সম্পর্কে সরকারের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এর আগে ২১তম কিস্তির তহবিল বিতরণের সময় কেন্দ্রীয় সরকার নিয়মকানুন অনেক কঠোর করে তুলেছিল।
সেই সময় এটি একটি বড় চাঞ্চল্যের বিষয় হয়ে ওঠে যে সারা দেশে প্রায় ৩০ লক্ষ লোককে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে এবং তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এবার এই ধরনের সমস্যা এড়াতে সুবিধাভোগীদের তাঁদের ই-কেওয়াইসি প্রক্রিয়া আগে থেকেই সম্পন্ন করে রাখা উচিত। তবে আধার লিঙ্কের পাশাপাশি একবার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের অবস্থাও পরীক্ষা করে নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ (PM Kisan)।












