উপার্জনের থেকে খরচ বেশি, লক্ষ টাকা বাস ভাড়া দিয়ে ভোটের কাজে আসছেন কর্মীরা

Published on:

Published on:

NOTA Surge in West Bengal Election Signals Growing Voter Discontent
Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক : আগামীকাল ২৯ এপ্রিল রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ (Assembly Election)। ১৪২ টি আসনে এদিন ভোটগ্রহণ রয়েছে। উত্তরবঙ্গ থেকে বহু ভোটকর্মীকে আসতে হচ্ছে দক্ষিণবঙ্গে। কিন্তু বাসের ভাড়া দেখেই কার্যত মাথায় হাত পড়ে যাচ্ছে অনেকের। ২ লক্ষ টাকা দিয়ে বাস ভাড়া করেও অনেকে উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ আসছেন।

ভোটের (Assembly Election) কাজে আসতে গিয়ে বিরাট খরচ কর্মীদের

যেমনটা জানা যাচ্ছে, সোমবার দুপুরে নির্বাচন কমিশনের তরফে ৩৫০ এরও বেশি সরকারি কর্মচারীর কাছে একটি মেল আসে। সেখানেই বলা হয়েছিল, মঙ্গলবার সকাল দশটার মধ্যে নির্দিষ্ট ডিসিআরসি কেন্দ্রে রিপোর্ট করতে হবে তাদের। প্রথম দফার পর দ্বিতীয় দফার ভোটেও পড়েছে তাদের ডিউটি। কিন্তু তাদের মধ্যে অনেকেই থাকেন কোচবিহারে।

Polling officers have to spend lakhs for assembly election duty

বাধ্য হয়েই সিদ্ধান্ত: ফলত কমিশনের এই নির্দেশ পেয়ে চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন সকলেই। এমনকি শোনা যাচ্ছে, জেলাশাসকের দফতরে গিয়েও বিশেষ কোনও সাহায্য পাননি তারা। তাই শেষমেষ দলবদ্ধভাবেই গন্তব্যে পৌঁছানোর সিদ্ধান্ত নেন তারা। প্রায় ৩০ জন সরকারি কর্মী একটি ভলভো বাস ভাড়া করে রওনা হন বলে খবর।

আরও পড়ুন : মাত্র ২৮ মিনিটেই অভিযোগের নিস্পত্তি, যাত্রী পরিষেবায় বড় মাইলফলক অর্জন পূর্ব রেলের

কত পড়েছে ভাড়া: বাসের ভাড়া পড়েছে প্রায় ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা। এক সরকারি কর্মী এ বিষয়ে বলেন, ভোটের (Assembly Election) ডিউটি করে দেড় থেকে দু হাজার টাকা পাওয়া যায়। এদিকে গাড়ি ভাড়া, খাওয়াদাওয়া নিয়ে খরচ পড়ে প্রায় ১০ হাজার টাকা। তিনি আরও জানান, সোমবার অফিস যাওয়ার পর নির্বাচনের ডিউটির বিষয়ে জানানো হয়। এত কম সময়ের মধ্যে এতদূর পৌঁছানো কীভাবে সম্ভব?

আরও পড়ুন : মে-র শুরুতেই পরপর বন্ধ ব্যাঙ্ক, ভোগান্তি এড়াতে জেনে রাখুন দিনক্ষণ

অতিরিক্ত জেলাশাসক জানান, রবিবার রাতেই ভোটকর্মীদের ডিউটি সংক্রান্ত চিঠি এসে গিয়েছিল কমিশনের তরফে। এরপরেই সংশ্লিষ্ট অফিসগুলিতে জানানো হয়। সে সময় অনেকে অসুবিধার কথা জানানোয় আরটিওকে বলে দুটি গাড়ির বন্দোবস্ত করা হয়। পরে আর কেউ এসে যোগাযোগ করেনি বলেই জানান তিনি।