চাল-গমের সঙ্গেই রেশন দোকানে মিলবে আরও নানা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস! অভিনব পরিকল্পনা কেন্দ্রের

Published on:

Published on:

Ration shops will sell all necessary products big plan of Central Government
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রেশন দোকান (Ration Shop) মানেই আর শুধু বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে চাল, গম নয়। এবার পাওয়া যেতে পারে আরও নানা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে রেশন ব্যবস্থা নিয়ে এমনই অভিনব পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার (Central Government)। ইতিমধ্যেই সেই প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছে।

রেশন নিয়ে অভিনব ভাবনা কেন্দ্রের | (Ration Shop)

রেশন দোকানে চাল, গমের মতো খাদ্যসামগ্রীর পাশাপাশি আমজনতা যাতে নানা বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে পারেন সেই প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, দেশের রেশন দোকানগুলিকে ন্যায্য মূল্যের বিক্রিবাট্টা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার প্ল্যান করা হয়েছে। কৃষি বিপণন সংস্থা ন্যাফেডের মাধ্যমে রেশন দোকানগুলিতে বিভিন্ন ধরণের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পৌঁছে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ ‘বৈধ বিয়ে’ ছাড়াও ৪৯৮এ ধারা প্রযোজ্য! বধূ নির্যাতন নিয়ে ঐতিহাসিক রায় হাইকোর্টের

ইতিমধ্যেই এই নিয়ে অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলার্স ফেডারেশনের সঙ্গে ন্যাফেডের একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। সেই চুক্তি অনুসারে, রেশন দোকানগুলি চাল, গমের মতো খাদ্যসামগ্রীর পাশাপাশি আরও নানা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসেরও চাহিদা পূরণ করবে।

এই বিষয়ে অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলার্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসু বলেন, ইতিমধ্যেই সারা দেশের প্রায় ৩ লাখ ৩৮ হাজারেরও বেশি রেশন দোকানকে এই নতুন ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে আসার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। কৃষি বিপণন সংস্থা ন্যাফেডের সঙ্গে সরাসরি মেলবন্ধন রেখে রেশন দোকানগুলি থেকে এই জিনিসপত্র বিক্রি করা হবে।

Ration shop

রেশন ডিলারদের সর্বভারতীয় সংগঠনের নেতৃত্বের দাবি, এই ব্যবস্থা চালু হলে দেশের প্রত্যন্ত এলাকার খেটে খাওয়া মানুষদের সবচেয়ে বেশি সুবিধা হবে। রেশন দোকানে চাল, গমের পাশাপাশি যাবতীয় নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী কম দামে মেলায় খোলা বাজারে অন্যান্য দোকান থেকে বেশি দামে কিনতে হবে না। ফলে পকেটের চাপ অনেকটাই কমবে।

বর্তমানে রেশন দোকানগুলিতে বিনামূল্যে বা খুব কম দামে চাম, গমের মতো খাদ্যশস্য পাওয়া যায়। তবে কেন্দ্র চাইছে, খাদ্যশস্যের পাশাপাশি সেখানে রোজকার আরও নানা প্রয়োজনীয় জিনিসও বিক্রি হোক। সেই কারণেই এই অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।