বাংলা হান্ট ডেস্ক: ভারতের (India) পড়শি দেশে চিন (China) বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হিসাবে বিবেচিত হয়। তবে, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে চিনকে কড়া টক্কর দিচ্ছে ভারত। মূলত, প্রায় দু’দশক ধরে চিন গ্লোবাল ইকোনমির ‘ইঞ্জিন’ হিসাবে পরিগণিত হলেও বিগত কয়েকবছরে চিনের অর্থনীতি কঠিন সময়ের সম্মুখীন হয়েছে। ওই দেশের প্রতিটি সেক্টরেই আর্থিক মন্দা তীব্র হচ্ছে। এদিকে, এই আবহে এই একটি বড় আপডেট সামনে এসেছে। মূলত, ২০২৬ সালের জুলাই মাসে ভারতে গাড়ির রিটেল (Car Sales) বিক্রি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৫.৮৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে রেকর্ড সংখ্যক ২৫.৯১ লক্ষ ইউনিটে পৌঁছেছে। ওই সময়ে গাড়ির রিটেল রেজিস্ট্রেশনের সংখ্যা ৪.১৬ লক্ষ ইউনিটে পৌঁছেছে। যা আগের বছরের তুলনায় ১৯.১৩ শতাংশ বেশি। এই প্রথমবার জুলাই মাসে গাড়ির বিক্রি ৪ লক্ষ ইউনিট অতিক্রম করেছে। এদিকে, চিনের অর্থনীতি কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাওয়ায় ওই দেশটিতে যাত্রীবাহী গাড়ির বিক্রি ২১ শতাংশ কমে গেছে।
ভারতে (India) রেকর্ড পরিমাণে গাড়ি বিক্রি!
জুলাই মাসে চিনের ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাকশন গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেলেও, গত ৩ মাসের মধ্যে প্রথমবারের মতো এতে মাসিক পতন দেখা গেছে। অন্যদিকে, রিটেল সেলস গত বছরের একই সময়ের তুলনায় মাত্র ০.৬ শতাংশ বেড়েছে। যা গত অন্তত ১৮ মাসের মধ্যে তৃতীয় সর্বনিম্ন বৃদ্ধি। এর কারণ হল, রিটেল সেলসের অন্যতম বৃহত্তম অংশ, অর্থাৎ যাত্রীবাহী গাড়ির বিক্রয় বার্ষিক ভিত্তিতে ২১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

রিয়েল এস্টেট ক্রাইসিসের সম্মুখীন: জানিয়ে রাখি যে, ২০২৬ সালের প্রথম ৭ মাসে ফিক্সড-অ্যাসেট ইনভেস্টমেন্ট আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬.৭ শতাংশ কমেছে। যা বছরের প্রথমার্ধের ৫.৭ শতাংশ হ্রাসের চেয়েও খারাপ।
আরও পড়ুন: এক সপ্তাহে ৪০ শতাংশ বাড়ল দাম, পেঁয়াজ কিনতে কালঘাম ছুটছে আমজনতার, কী পরিকল্পনা সরকারের?
এদিকে, রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টমেন্ট আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ব্যাপক ১৯.২ শতাংশ কমেছে। যা এযাবৎকালের সর্বোচ্চ। সামগ্রিকভাবে দেখতে গেলে, চিনের অর্থনীতির মন্দা প্রতিটি প্রধান সেক্টরেই বাড়ছে।
আরও পড়ুন: FD-র ক্ষেত্রে বড় খবর! RBI বদলাচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ১ অক্টোবর থেকে হবে লাগু
উল্লেখ্য যে, চিনের রিয়েল এস্টেট সঙ্কট আরও গভীর হচ্ছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত জুনে বার্ষিক ৩.৩ শতাংশ হ্রাসের পর, জুলাই মাসে চিনের ৭০ টি শহরে নতুন বাড়ির দাম বার্ষিক ৩.২ শতাংশ কমেছে। ২০২৩ সালের মাঝামাঝি থেকে চিনে সম্পত্তির দাম ক্রমাগত কমছে। মূলত, চিনের হাউসিং মার্কেটের ২০০৮ সালের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।













