সাফাই কর্মীদের ভোটের দায়িত্ব, প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে উঠছে প্রশ্ন

Published on:

Published on:

Sanitation workers third polling officers in West Bengal Assembly Election
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় উৎসব নির্বাচন। আর সেই নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও নির্ভুলভাবে পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজন দক্ষ ও প্রশিক্ষিত কর্মী। কিন্তু বাস্তবে যদি সেই দায়িত্বে নিয়োগ নিয়েই প্রশ্ন উঠে যায়, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়। ঠিক এমনই এক বিতর্ক সামনে এসেছে মালদহে, যেখানে ভোটের (West Bengal Assembly Election) ডিউটির তালিকা প্রকাশ হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে প্রশাসনিক মহলে।

নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election) পোলিং অফিসার নিয়ে বির্তক

নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তালিকা দেখে চমকে গিয়েছেন অনেকেই। অভিযোগ, এমন বহু ব্যক্তিকে থার্ড পোলিং অফিসারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যাঁদের মধ্যে কেউ স্বাক্ষর পর্যন্ত করতে পারেন না, আঙুলের ছাপ দিয়েই কাজ সারেন। শুধু তাই নয়, কো-অপারেটিভ হোলসেল কনজিউমার সোসাইটির হেল্পার থেকে শুরু করে সাফাই কর্মী, ঝাড়ুদার ও দিনমজুর—বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োগ করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, নির্বাচন প্রক্রিয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে এঁদের কীভাবে নিযুক্ত করা হল।

এদিকে, ইংরেজবাজার পুরসভার প্রায় ৪০ জন সাফাই কর্মীকেও থার্ড পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এর জেরে শহরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে পুরসভা। ইতিমধ্যেই এই বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে কমিশন।

এই প্রসঙ্গে মালদহের অতিরিক্ত জেলা শাসক অনিন্দ্য সরকার বলেন, “সরকারি গাইডলাইন অনুযায়ী যাঁদের ডিউটি দেওয়া যায় তাঁদেরই ডিউটিতে দিচ্ছি আমরা। কিন্তু এরপরও যদি কোনও ইস্যু থাকে আমরা দেখব।”

Sanitation workers third polling officers in West Bengal Assembly Election

আরও পড়ুন : বড় খবর! দিল্লি থেকে I-PAC-এর ডিরেক্টরকে গ্রেপ্তার করল ED,‌ রাতেই আদালতে পেশ

ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল শুভময় বসু ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের সব স্থায়ী সাফাই কর্মীদের এমনকী মহিলা কর্মীদেরও নিয়ে গেছে থার্ড পোলিং অফিসার বানিয়েছে। এদের নির্বাচনী কোনও অভিজ্ঞতা নেই। এঁরা তো সমাজ পরিষ্কার করেন। এদেরই যদি কাজে লাগায় তাহলে কী হবে বলুন তো?” ভোটের আগে এই ধরনের নিয়োগ প্রক্রিয়া প্রশাসনিক প্রস্তুতি নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে। তাই এই বিতর্কের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন কীভাবে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়, সেটাই এখন দেখার।