৩৭ দিন পর অবশেষে মুক্তি, আদালতে জামিন পেলেন ‘মেসি কাণ্ডের’ শতদ্রু দত্ত

Published on:

Published on:

Satadru Dutta Gets Bail After 37 Days in Yuva Bharati Chaos Case
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ দীর্ঘ ৩৭ দিন জেল হেফাজতে থাকার পর অবশেষে জামিন পেলেন যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের বিতর্কিত অনুষ্ঠানের মূল আয়োজক শতদ্রু দত্ত (Satadru Dutta)। গত ডিসেম্বর মাসে মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে যুবভারতীতে যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল, সেই ঘটনার পর থেকেই তদন্তের কেন্দ্রে ছিলেন তিনি। দু’বার জামিন খারিজ হওয়ার পর শেষ পর্যন্ত জামিনের অনুমতি দিল আদালত।

কী ঘটেছিল যুবভারতীতে?

গত ১৩ ডিসেম্বর যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মেসির অনুষ্ঠানকে ঘিরে ভয়াবহ বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটে। অনুষ্ঠান শুরুর আগেই ভিড় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। ধাক্কাধাক্কি, ভাঙচুর এবং অশান্তির জেরে গোটা এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। এই ঘটনার পরই অনুষ্ঠানের মূল আয়োজক শতদ্রু দত্তের (Satadru Dutta) বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

ঘটনার দিনই শতদ্রুকে (Satadru Dutta) গ্রেপ্তার করে পুলিশ

ঘটনার দিনই, অর্থাৎ ১৩ ডিসেম্বর কলকাতা বিমানবন্দর থেকে শতদ্রু দত্তকে (Satadru Dutta) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর তাঁকে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয়। তদন্ত চলাকালীন দু’বার আদালতে জামিনের আবেদন জানালেও তা খারিজ হয়ে যায়। শেষবার ২৮ ডিসেম্বর দীর্ঘ সওয়াল-জবাবের পরেও জামিন মেলেনি। অবশেষে ৩৭ দিন পর অন্তর্বর্তী তাঁর জামিন মঞ্জুর করল বিধাননগর আদালত। ১০ হাজার টাকা বন্ডের বিনিময়ে সোমবার তাঁকে অন্তর্বর্তী জামিন দেওয়া হয়েছে।

যুবভারতীর ঘটনার তদন্তে পুলিশ মোট দু’টি মামলা দায়ের করে। এর মধ্যে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় স্বতঃপ্রণোদিত একটি মামলা রুজু করা হয়। ওই মামলায় অশান্তি ছড়ানো, ভাঙচুর, হিংসা, নাশকতামূলক কার্যকলাপ এবং জনগণের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার অভিযোগ আনা হয়। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৯২, ৩২৪ (৪)(৫), ৩২৬ (৫), ১৩২, ১২১ (২), ৪৫ এবং ৪৬ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Satadru Dutta makes explosive claims in Messi event chaos probe

আরও পড়ুনঃ কয়লা কেলেঙ্কারিতে বিরাট মোড়! টাকার সূত্র ধরে ED-র জালে ৭, প্রভাবশালী যোগ খুঁজতে তৎপর সংস্থা

তদন্তের অংশ হিসেবে বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ শতদ্রু দত্তের (Satadru Dutta) রিষড়ার বাড়িতে তল্লাশি চালায়। তল্লাশির পর তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও বিভিন্ন আর্থিক লেনদেনের হিসাব খতিয়ে দেখেন সিটের আধিকারিকরা। সেই তদন্তের পরই প্রায় ২২ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয় বলে জানা যায়। দীর্ঘদিন জেল হেফাজতে থাকার পর শেষ পর্যন্ত জামিন পেলেও যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের সেই বিতর্কিত ঘটনার তদন্ত এখনও চলছেই।