বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বিতর্কিত দেয়াল লিখন থেকে শুরু করে একের পর এক ঘটনায় বিগত বেশ কিছুদিন ধরেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে (Jadavpur University) কেন্দ্র করে একের পর এক বেড়েই চলেছে রাজনৈতিক চাপানউতর। এরই মধ্যে আরও একবার শিরোনামে উঠে এলো যাদবপুর। ক্যাম্পাস চত্বরে জাতীয় পতাকা (National Flag) হাতে মিছিলে হাঁটা এবং বন্দেমাতারাম গান পরিবেশন করার ঘটনা নিয়ে ইতোমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে।
যাদবপুর নিয়ে প্রতিক্রিয়া স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মনের
সম্প্রতিকালে যাদবপুরের ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যেই কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তারপরেই এবার বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ত্রিগুণা সেন অডিটোরিয়ামে ‘হরিপদ ভারতী স্মৃতিরক্ষা সমিতি’র আয়োজিত জাতীয়তাবাদী সম্মেলনের আগেই ক্যাম্পাসের ভেতরে ‘বন্দে মাতরম যাত্রা’ কর্মসূচি পালন করল এবিভিপি।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই প্রসঙ্গে এদিন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন। তিনি বললেন, ‘যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা, যাদবপুরে জাতীয় পতাকা নিয়ে মিছিল করল এবং বন্দেমাতারাম গাইল। কারণ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় তার যে একটা অ্যান্টি ন্যাশনাল ক্যারেক্টার তার জন্য সেটা অধিক পরিচিত। তো সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে দেশ ভক্তি যদি তাদের মধ্যে আসে, এটা আনন্দের চেয়ে আর কি হতে পারে।’
আরও পড়ুনঃ আর অশান্তি নয় বেআইনি নির্মাণ ভাঙা বা উচ্ছেদে! আগাম প্রস্তুতির জন্য নির্দেশিকা জারি লালবাজারের
অন্যদিকে রাষ্ট্র বিরোধী স্লোগান উঠলে সেটা কেন সহ্য করা হবে কিংবা দেওয়ালে কেন ফ্রি প্যালেস্টাইন লেখা থাকবে কিন্তু পিওকে মুক্ত করুন লেখা থাকবে না কেন এই প্রশ্ন তুলেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
এই বিষয়ে দীপকবাবু বলেছেন, ‘মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী যে বক্তব্য বলেছেন সেটা এককথায়, তাঁদের যে দ্বিচারিতা, তাঁদের যে তোষণ নীতি এবং তারা যে দেশবিরোধী সেটি তাঁর একটি শব্দের মধ্য দিয়ে, একটি বাক্যের মধ্য দিয়ে, তিনি তাঁদের সেই বিষয়টাকে একদম উন্মোচন করে দিয়েছেন। এবং প্রশ্ন আমাদেরও সকলেরই এটাই যে, পিওকে মুক্ত হোক সেটা কেন তারা বলে না। ‘
প্রসঙ্গ ওঠে ওয়াকফ সম্পত্তি নিয়েও। এই বিষয়েও মন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিলেন, ‘স্বাভাবিক ঘটনা। কেউ ওয়াকফ সম্পত্তি যদি বেআইনিভাবে দখল করে থাকেন সেটা তাকে ছাড়তে হবে। ওয়াকফ নিয়ে তারা এত কথা বলল, সকলেই জানত ওয়াকফ সম্পত্তি কার কার কাছে আছে, কারা কারা এর মূল উপভোক্তা। কারা এর লাভ নিচ্ছেন সেটা অনেকেই জানেন। তো সেক্ষেত্রে ওয়াকফ সম্পত্তি সম্পূর্ণভাবে দখল মুক্ত করে, সেগুলোর থেকে যে অর্থ আসবে সেগুলো হয় সরকারি কোষাগারে জমা হবে নইলে মুসলিম যারা আছেন তাদের উন্নয়নের জন্যই ব্যবহার করা হোক। কিন্তু এই দখলদারি মুক্ত হওয়া চাই।’













