বাংলাহান্ট ডেস্ক : যৌন হেনস্থার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার শমীক অধিকারী (Shamik Adhikary)। এক তরুণী তাঁর বিরুদ্ধে ফ্ল্যাটে আটকে রেখে অত্যাচার এবং যৌন হেনস্থার অভিযোগ আনার পরেই তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। শুক্রবার আলিপুর আদালতে তোলা হয় শমীককে। ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। আদালত চত্বরে শমীক দাবি করেন, তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে।
যৌন হেনস্থার অভিযোগে গ্রেফতার শমীক (Shamik Adhikary)
পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরেই নাকি হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যান শমীক এবং তাঁর মা বাবা। কয়েকদিন কোনও খোঁজই নাকি পাওয়া যায়নি তাঁদের। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দমদম এলাকা থেকে গ্রেফতার হন ইনফ্লুয়েন্সার। থানায় নিয়ে যাওয়ার পর শুক্রবার সকালে বেহালা থানা থেকে আলিপুর আদালতে হাজির করা হয় শমীককে।

কী অভিযোগ উঠেছে: অভিযোগ, বেহালার এক ফ্ল্যাটে গত ২ রা থেকে ৩ রা ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আটকে রাখেন শমীক। তিনি আরও অভিযোগ করেছেন, জোর করে তাঁকে বিবস্ত্র করার চেষ্টা করেন শমীক। মারধোর, শরীরে আপত্তিকর ভাবে স্পর্শ করার অভিযোগও আনা হয়েছে। বিষয়টি যাতে জানাজানি না হয় তার জন্য নাকি তাঁকে হুমকি দেওয়া হয় বলে দাবি তরুণীর।
আরও পড়ুন : দিঘা-মন্দারমণি পৌঁছানো এখনও আরও সহজ, চালু হচ্ছে নতুন হল্ট স্টেশন
নিখোঁজ ছিলেন শমীক: অভিযোগকারিণীর আইনজীবী জানান, শমীক (Shamik Adhikary) ওই তরুণীর পরিচিত বন্ধু। বাড়ি বদল করার সময় সাহায্য করার অজুহাতে তাঁকে ডেকে পাঠানো হয় বলে অভিযোগ। এরপরেই তরুণীর মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে সারারাত ধরে তাঁর উপরে শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন চালানো হয় বলে অভিযোগ। পুলিশের দাবি, অভিযোগ দায়ের করার পর ফ্ল্যাট ছেড়ে পালিয়ে যান শমীক।
আরও পড়ুন : এখনও সম্পূর্ণ হয়নি উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ, ভোটের আগে ঝুলে ১২৪১ জনের ভবিষ্যৎ
এদিকে এই ঘটনায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। যদিও আদালত সূত্রে খবর, শুনানির সময় শমীকের আইনজীবীর বক্তব্যে আংশিক দায়স্বীকারের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তবে এদিন আদালতে কোনও পক্ষই রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বা ফাঁসানোর তত্ত্ব উত্থাপন করেনি বলেই খবর।












