‘মুখ্যমন্ত্রী ঠিকই বলেছেন’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোন কথায় সায় দিলেন বিজেপির শমীক ?

Published on:

Published on:

Shamik Bhattacharya agree with Mamata Banerjee's statement
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক :  বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election) আগে রাজ্যের রাজনৈতিক আবহ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। ভোটকে কেন্দ্র করে নতুন করে শুরু হয়েছে ‘বহিরাগত’ বনাম ‘স্থানীয়’ বিতর্ক। এই প্রেক্ষাপটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) তোলা অভিযোগকে ঘিরে পাল্টা জোরালো বক্তব্য রাখলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya)।

মমতার পাল্টা শমীক (Shamik Bhattacharya)

সম্প্রতি, মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেছিলেন, বাইরে থেকে লোক এনে ভোটে প্রভাব ফেলার চেষ্টা হচ্ছে। সেই বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী ঠিকই বলেছেন যে আমরা বাইরে থেকে ভোটার আনছি, কিন্তু সেই ভোটাররা পশ্চিমবঙ্গেরই।” তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক।

শমীকের দাবি, গুজরাটের সুরাট, মহারাষ্ট্র-সহ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে কাজের সূত্রে থাকা বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদেরই ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। তিনি স্পষ্ট করে জানান, এঁরা কোনও বহিরাগত নন, বরং জীবিকার তাগিদে ভিনরাজ্যে থাকা বাংলারই বাসিন্দা, যারা নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে রাজ্যে ফিরছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “বাংলা বলার অপরাধে যাঁদের ভিনরাজ্যে নিগ্রহের শিকার হতে হয়েছিল, তেমন অভিযোগ উঠেছিল, তাঁরাই এখন নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে নিজের রাজ্যে ফিরছেন।”

শমীকের বক্তব্য, উত্তরবঙ্গের বহু শ্রমিক ইতিমধ্যেই ফিরে এসেছেন এবং এখন দক্ষিণবঙ্গের শ্রমিকরা ফিরছেন। বিজেপির পক্ষ থেকে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরাতে। জানা গেছে, প্রায় ৭৩টি বিশেষ ট্রেনের মাধ্যমে এই শ্রমিকদের রাজ্যে ফেরানো হচ্ছে।

Shamik Bhattacharya agree with Mamata Banerjee's statement

আরও পড়ুন : সুরাপ্রেমীদের জন্য দুঃসংবাদ ! এবার ভোটের চার দিন আগে বন্ধ মদের দোকান

একদিকে শাসকদলের অভিযোগ, অন্যদিকে বিরোধী শিবিরের পাল্টা যুক্তি-এই দুইয়ের সংঘাতে নির্বাচনের আগে রাজ্য রাজনীতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিপুল সংখ্যক পরিযায়ী শ্রমিকের প্রত্যাবর্তন ভোটের ফলাফলে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। ভোটের আগে এই ‘পরিযায়ী শ্রমিক ইস্যু’ যে আগামী দিনে আরও বড় রাজনৈতিক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠবে, তা বলাই বাহুল্য।