বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সম্প্রতি জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) সফরে গিয়েছেন BJP রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya)। সেখানে গিয়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে একাধিক বার্তা দিয়েছেন তিনি। আসন্ন আরও দুই দশক দেশে বিজেপি সরকার থাকছে, কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। তাই ভালো লাগুক বা না সংসার তো আমাদের সাথেই করতে হবে বলে জানান শমীকবাবু। এছাড়া আর কী কী বললেন তিনি? চলুন দেখে নেওয়া যাক।
আরও কুড়ি বছর দেশে ও রাজ্যে বিজেপিই থাকছে
প্রথমেই জলপাইগুড়িবাসীদের কৃতজ্ঞতা জানান শমীক ভট্টাচার্য। এরপর তিনি বলেন, আমাদের প্রতি আস্থা রাখার জন্য এবং আমাদের আশীর্বাদ করার জন্য। জলপাইগুড়ি বাসীকে প্রণাম জানাচ্ছি, যে তারা পশ্চিমবঙ্গের আর্থসামাজিক উত্তরণ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। অতীতেও করেছেন এবং বিগত নির্বাচনও করেছেন। পৃথিবীর জনপ্রিয়তম রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ২৫ বছর পূর্ণ হচ্ছে আগামীকাল ৭ই অক্টোবর। পৃথিবীতেই দৃষ্টান্ত কোথাও নেই, যে নিরবিচ্ছিন্নভাবে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যে থেকে একজন মানুষ প্রশাসনের সর্বোচ্চ পদে এতদিন অতিবাহিত করেছেন। একইসাথে এবং মানুষের আশীর্বাদ পেয়েছেন আস্থা পেয়েছেন ও বিপরীত পরিস্থিতিতে তাকে আসতে হয়েছে।
তারপর তিনি বলেন, ২০১৪ সালে যখন তিনি প্রধানমন্ত্রী হন, তখন ভারতবর্ষকে ফ্রাজাইল ফাইভ এর মধ্যে ধরা হচ্ছিল। রতন টাটা বলেছিলেন যে আমার মনে হচ্ছে আমি একটা ব্যানার রিপাবলিকের বাসিন্দা হয়েছি। সেই সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগা দুর্বল একটা সরকারকে সরিয়ে দিয়ে দেশের মানুষ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজির উপর আস্থা রেখেছিলেন। তিনি মানুষের আস্থা নিয়ে কোভিড উত্তর কালে সাউথ ইস্ট এশিয়া ক্রাইসিস, রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ সমস্তকে পাশ কাটিয়ে আমাদের দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধিকে একটা নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে।
দেশের আর্থিক উন্নতিতে উত্তরবঙ্গের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘অর্থনৈতিক বৃদ্ধির ক্ষেত্রে উত্তরবঙ্গের মানুষের একটা ভূমিকা আছে। জলপাইগুড়ির মানুষের ভূমিকা আছে। দেখুন জলপাইগুড়িতে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে আমাদের কর্মীরা এখানে রাজনীতি করেছেন। জলপাইগুড়িতে সার্কিট বেঞ্চ নিয়ে আসার জন্য বিজেপি সর্বপ্রথম সক্রিয় ছিল। সমরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস, আমাদের জুপিদা তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগ নিয়েছিলেন। পরবর্তীকালে দলকে সঙ্গে নিয়ে তিনি অনেক প্রচেষ্টা করেছিলেন। তো বহু আন্দোলনের উত্থান পতনের সঙ্গে এখানকার জীবনযাত্রার সঙ্গে বিজেপি একাত্ম হবার চেষ্টা করেছে’।
এরপর বিজেপির মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে তিনি বলেন, অতীতে তিন বিঘা আন্দোলন হোক, সার্কিট দিয়ে আসা হোক বা এখানকার অনুপ্রবেশের সমস্যা হোক। এ নিয়ে মানুষের পাশে আমরা ছিলাম। আজকেও নির্বাচনের পরে এসেছি। দুটি রাজ কেন্দ্রে উপনির্বাচন চলছে। দুটি কেন্দ্রেই বিজেপির প্রার্থীরা জয় লাভ করবেন। আর উত্তরবঙ্গের মানুষের জন্য তো দেশের প্রধানমন্ত্রী একগুচ্ছ উপহার নিয়ে এসেছেন। যেটা অতীতেই হওয়ার কথা ছিল। আমিও রাজ্যসভায় বার বার প্রশ্ন তুলেছি। কিন্তু যেটা হল সেটা সেই রাজ্য সরকার সহযোগিতা করেনি। এছাড়া আরও একাধিক মন্তব্য করেছেন তিনি, যা রইল নিচে ভিডিওতে।













