বাংলা হান্ট ডেস্কঃ কাজের চাপে ক্লান্ত? অফিসে গিয়ে মন বসছে না? এমন দিন প্রায় সবার জীবনেই আসে। ঠিক সেই সময়ের জন্যই ইন্টারনেটে নতুন এক ধারণা ঘুরে বেড়াচ্ছে। সেটা হল ‘সফট ডে অফ’ (Soft Day Off)। ছুটি না নিয়েও, আবার পুরো দায়িত্ব না কাঁধে নিয়েও একদিন কাটানো। এমনই এক নমনীয় কাজের দিন নিয়ে এখন তুমুল আলোচনা চলছে।
সফট ডে অফ (Soft Day Off) কী?
‘সফট ডে অফ’ (Soft Day Off) মানে পুরো ছুটি নয়। আবার পুরো মন দিয়ে কাজও নয়। সহজ করে বললে, ছুটির মেজাজে অফিসে কাজ করা। ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই শব্দটি বারবার সামনে আসছে। এ নিয়ে একটি ভিডিওও ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে জ্যাকলিন ও’সাল নামে এক মহিলা বলেন, জীবনে এমন অনেক দিন আসে, যখন কাজ করতে ইচ্ছে করে না। সেদিন রুটিন ভেঙে একটু হালকা ভাবে দিন কাটানো যায়। তবে কিছু নিয়ম মেনে।
‘সফট ডে অফ’ (Soft Day Off) নিয়ে তিনি পাঁচটি বিষয়ের কথা বলেছেন। সেগুলি হল –
প্রথমত, সেদিন অফিসে একটু দেরি করে যেতে পারেন। তবে একেবারে সবার শেষে নয়।
দ্বিতীয়ত, যে কাজগুলো শুধু আপনার দায়িত্বে, সেগুলো আগে করে ফেলুন। কারণ সেই কাজ না করলে অন্যের সমস্যা হতে পারে। ওই দিন সেই কাজগুলোই হবে আপনার প্রধান কাজ।
তৃতীয়ত, মিটিংয়ে থাকতে হবে ঠিকই, কিন্তু চাপ নেওয়ার দরকার নেই। মিটিং রেকর্ড করে রাখতে পারেন। এখন অনেক অ্যাপ আছে, যা রেকর্ড করা কথা লিখে দেয়। পরে পড়ে নিলেই হবে।
চতুর্থত, বাড়তি কাজের দায়িত্ব নেবেন না। কেউ নতুন কাজ দিলে ভদ্র ভাবে না বলতে পারেন। জানাতে পারেন, সেদিন বেশি ক্ষণ থাকবেন না।
পঞ্চমত, অন্য দিনের তুলনায় একটু আগে অফিস থেকে বেরিয়ে যেতে পারেন। এতে অপরাধবোধের কিছু নেই।
তবে এই নিয়ম হুবহু মানতেই হবে, এমন নয়। নিজের পরিস্থিতি অনুযায়ী বদলানো যায়। মূল উদ্দেশ্য একটাই টানা কাজের চাপে মানসিক ক্লান্তি যেন না বাড়ে। অনেকের মতে, মাসে এক বা দু’দিন এমন হালকা দিন থাকলে কর্মীর মন ভালো থাকে। তাতে কাজের মানও খারাপ হয় না। বরং চাপ কম থাকলে কাজ আরও ভালো হয়।

আরও পড়ুনঃ
ইন্টারনেটে ‘সফট ডে অফ’ (Soft Day Off) নিয়ে আলোচনা বাড়ছে। অফিসে কাজের চাপ আর মানসিক স্বাস্থ্যের ভারসাম্য নিয়ে নতুন করে ভাবার কথাও উঠছে। এই ট্রেন্ড কতটা জনপ্রিয় হবে, সেটাই এখন দেখার।












