বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আইনি লড়াই চলছে। কলকাতা হাই কোর্টের রায়ের পর এবার সেই মামলা পৌঁছেছে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। সোমবার দেশের শীর্ষ আদালত মামলাটি গ্রহণ করেছে। তবে এখনই কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি আদালত। তাই যাঁরা বর্তমানে চাকরিতে রয়েছেন, তাঁরা আপাতত কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন। একই সঙ্গে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত জানিয়েছেন, যাঁরা পড়ুয়াদের পড়াবেন, তাঁদের যোগ্যতা ও প্রশিক্ষণ আছে কি না, সেটাও দেখা খুব জরুরি।
সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) ৩২ হাজার শিক্ষক চাকরি বাতিল মামলা
সোমবার সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) ওঠে ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলা। বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তর ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি গ্রহণ করে এবং নোটিস জারি করে। আদালত জানিয়েছে, আগামী অগাস্ট মাসের তৃতীয় সপ্তাহে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। তবে এই মুহূর্তে কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেয়নি সুপ্রিম কোর্ট। অর্থাৎ কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর যাঁরা বর্তমানে চাকরিতে বহাল আছেন, তাঁরা আপাতত সেইভাবেই কাজ করতে পারবেন।
শুনানির সময় বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, যাঁরা ছোট ছোট পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ গড়বেন, তাঁদের সঠিক যোগ্যতা এবং প্রশিক্ষণ থাকা দরকার। সেই বিষয়টিও আদালত (Supreme Court) গুরুত্ব দিয়ে দেখবে।
এই মামলার সূত্রপাত কলকাতা হাইকোর্টের একটি পুরনো নির্দেশ থেকে। তৎকালীন বিচারপতি তথা বর্তমান বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। পরে সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করা হয় ডিভিশন বেঞ্চে।

আরও পড়ুনঃ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানা হচ্ছে না? বাংলার কসাইখানা নিয়ে হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা
এরপর বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ সিঙ্গল বেঞ্চের সেই নির্দেশ খারিজ করে দেয়। তারপরই মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) যায়। সোমবার সেই মামলাই আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করল দেশের শীর্ষ আদালত।













