বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘিরে যে রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগ উঠেছিল, সেই মামলার শুনানি বুধবার সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের কথা তুলে মামলাকারী পক্ষ শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানায়। সেই আবেদন মেনে মামলার শুনানি গ্রীষ্মকালীন ছুটির পরে করার নির্দেশ দিল দেশের শীর্ষ আদালত।
সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) ভোট পরবর্তী হিংসা মামলা
বুধবার সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সঞ্জীব মেহেতার বেঞ্চে ২০১৮ সালের পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত নির্বাচন পরবর্তী হিংসা মামলার শুনানি ছিল। মামলাকারীদের তরফে আইনজীবী গৌরব ভাটিয়া আদালতে জানান, রাজ্যে এখন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবর্তন হয়েছে। সেই কারণে মামলার শুনানি কিছুদিনের জন্য স্থগিত রাখা হোক।
তিনি আরও বলেন, হামলায় নিহত এক ব্যক্তির ভাই দিল্লিতে আসছেন। তাই গ্রীষ্মকালীন ছুটির পরে এই মামলার শুনানি হলে সুবিধা হবে। সেই আবেদন শোনার পর বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ ছিল, রাজ্যে “সাবস্টেনসিয়াল চেঞ্জ” বা উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেছে। এরপর আদালত (Supreme Court) মামলার শুনানি পিছিয়ে দেয়। জানা গিয়েছে, আগামী জুলাই মাসে ফের এই মামলার শুনানি হতে পারে।
২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজ্যের একাধিক জেলায় সংঘর্ষ, বোমাবাজি, খুন এবং রাজনৈতিক সন্ত্রাসের অভিযোগ উঠেছিল। বিরোধী দলগুলির অভিযোগ ছিল, মনোনয়ন জমা দেওয়া থেকে শুরু করে ভোটগ্রহণ ও গণনার সময় পর্যন্ত একাধিক জায়গায় বিরোধী প্রার্থীদের বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল।
তৎকালীন বিরোধী দল বিজেপির পাশাপাশি কংগ্রেস ও সিপিএমও শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তোলে। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে পড়ে। পরে বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) পর্যন্ত গড়ায়।

আরও পড়ুনঃ ২৭৪২ কোটি টাকার কয়লা পাচার! লালার আগাম জামিন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক দাবি ED-র
আদালতের (Supreme Court) নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হলেও, অভিযোগ ওঠে যে হিংসার পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। সেই ঘটনাগুলিকেই কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলার শুনানি এদিন পিছিয়ে গেল।













