বাংলা হান্ট ডেস্কঃ এসআইআর ট্রাইবুনালে বিপুল সংখ্যক আবেদন জমে থাকলেও নিষ্পত্তি খুবই কম এই অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) সরব হলেন তৃণমূলের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বিষয়টি শুনে শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিল, এই নিয়ে হস্তক্ষেপ চাইলে কলকাতা হাই কোর্টেই যেতে হবে।
কল্যাণের প্রশ্ন শুনে কী বলল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)?
শুক্রবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। আদালতে (Supreme Court) কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, মোট ২৭ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে, অথচ নিষ্পত্তি হয়েছে মাত্র ১৩৬টি। এই ধীরগতির বিষয়টি তুলে ধরে তিনি আদালতের হস্তক্ষেপ চান।
জবাবে প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট বলেন, ট্রাইবুনালের কাজকর্ম নিয়ে কোনও সমস্যা থাকলে তা কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির নজরে আনা যেতে পারে। অর্থাৎ, এই ক্ষেত্রে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) না এসে হাই কোর্টেই যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। এদিন শুনানিতে মালদহের মোথাবাড়িতে বিচারকদের ঘেরাওয়ের ঘটনাও উঠে আসে। ওই মামলায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-কে চার্জশিট জমা দেওয়ার অনুমতি দেয় সুপ্রিম কোর্ট।
এর পাশাপাশি রাজ্যের প্রথম দফার ভোট নিয়েও আলোচনা হয় আদালতে (Supreme Court)। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এবারে প্রায় ৯২ শতাংশ ভোট পড়েছে এবং অনেক পরিযায়ী শ্রমিকও ভোট দিতে রাজ্যে ফিরেছেন। এই উচ্চ ভোটদানের হারকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে মন্তব্য করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। তিনি বলেন, বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া ভোট প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণ ছিল এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীও ভালো কাজ করেছে।
ভোটের এই চিত্রে সন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতিরাও। প্রধান বিচারপতি বলেন, বেশি সংখ্যায় মানুষ ভোট দিলে গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হয়। বিচারপতি বাগচী জানান, বড় কোনও হিংসার খবর পাওয়া যায়নি। তবে রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, “রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়, উলুখাগড়ার প্রাণ যায়।”

আরও পড়ুনঃ ৯৬ ঘণ্টা কাটিয়ে অবশেষে খুলল মদের দোকান, লাইনে উপচে পড়া ভিড়, ফের কবে পড়বে তালা?
শুনানির (Supreme Court) মাঝেই এক হালকা মুহূর্তও তৈরি হয়। নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীকে ৪ মে নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানান কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই প্রসঙ্গে বিচারপতি বাগচী মজার ছলে বলেন, তিনি আগে কলকাতায় থাকলে সেই দায়িত্ব তাঁরই থাকত।













