“মামলা কোন বেঞ্চে উঠবে ঠিক করবে AI?” বিচারব্যবস্থায় বড় প্রযুক্তিগত বদলের পথে সুপ্রিম কোর্ট

Published on:

Published on:

Supreme Court plans to use AI for some administrative tasks
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ দেশের বিচারব্যবস্থায় বড় প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। দেশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court) সুপ্রিম কোর্টে ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করা হতে পারে বলে খবর সামনে এসেছে। বিশেষ করে মামলার তালিকা তৈরি এবং কোন মামলা কোন বেঞ্চে উঠবে এই কাজগুলোতেই এআই ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত আদালতের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি।

সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) কিছু প্রশাসনিক কাজে এআই ব্যবহার করার পরিকল্পনা

এখন প্রায় সব ক্ষেত্রেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার বাড়ছে। সেই তালিকায় এবার বিচারব্যবস্থাও যোগ হতে পারে। বার অ্যান্ড বেঞ্চের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) কিছু প্রশাসনিক কাজে এআই ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। খবরে বলা হয়েছে, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে প্রথমে পরীক্ষামূলকভাবে এই ব্যবস্থা চালু করা হতে পারে।

সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) ‘মাস্টার অফ রোস্টার’ হিসেবে প্রধান বিচারপতির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। অর্থাৎ কোন মামলা কোন বেঞ্চে শুনানির জন্য যাবে, সেই সিদ্ধান্ত মূলত প্রধান বিচারপতির অধীনেই থাকে। অন্যদিকে, মামলার তালিকা তৈরি বা লিস্টিংয়ের দায়িত্ব থাকে আদালতের রেজিস্ট্রারদের উপর। তবে অভ্যন্তরীণ তদন্তে দেখা গিয়েছে, এই পদ্ধতিতে কিছু সমস্যা রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, অনেক কর্মকর্তা দীর্ঘদিন একই পদে থাকার কারণে কাজের মধ্যে জটিলতা তৈরি হয়েছে।

মামলার তালিকা তৈরির ক্ষেত্রেও কিছু অনিয়ম ধরা পড়েছে বলে জানা গেছে। এমন ঘটনাও দেখা গেছে, কোনও মামলা একবার খারিজ হয়ে যাওয়ার পর আবার অন্য বেঞ্চে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে মামলা লিস্টিং এবং বেঞ্চ বণ্টনের কাজে এআই ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এতে এই ধরনের সমস্যার সমাধান হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

Supreme Court Pulls Up State in SIR Hearing

আরও পড়ুনঃ ইতিহাসে প্রথম! মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ চেয়ে সংসদে নোটিস বিরোধীদের

তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) তরফে কোনও সরকারি ঘোষণা করা হয়নি। কিন্তু যদি এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়, তাহলে দেশের বিচারব্যবস্থার কাজের ধরনে বড় পরিবর্তন আসতে পারে।