“এই প্রথম দেখছি কোনও রাজ্য উন্নয়নের বিরোধিতা করছে”, রাজ্যের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক সুপ্রিম কোর্ট, কোন মামলায়?

Published on:

Published on:

Calcutta High Court Warns Jail Over Upper Primary Recruitment Delay
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ চিংড়িঘাটা মেট্রো লাইনের কাজ ঘিরে দীর্ঘদিনের জট এবার পৌঁছল দেশের শীর্ষ আদালত সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। কিন্তু সেখানে গিয়েও স্বস্তি পেল না রাজ্য সরকার। বরং সুপ্রিম কোর্টে কড়া ভর্ৎসনার মুখে পড়ে ফিরতে হল রাজ্যকে।

চিংড়িঘাটা মেট্রো নিয়ে মামলা গড়াল সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)

চিংড়িঘাটা মেট্রো লাইনের মাত্র ৩৬৬ মিটার কাজ বাকি থাকায় আটকে রয়েছে কলকাতা মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের সম্প্রসারণ। এই সামান্য অংশের কাজ ঘিরেই দীর্ঘদিন ধরে রাজ্য সরকার ও মেট্রো কর্তৃপক্ষের মধ্যে টানাপোড়েন চলছিল। আগেই কলকাতা হাই কোর্ট নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল। এমনকি বৈঠকও হয়েছিল, কিন্তু তাতেও সমস্যার সমাধান হয়নি। অভিযোগ, কলকাতা পুলিশের অনুমতি না মেলায় কাজ এগোতে পারেনি। এই নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)।

হাইকোর্টের নির্দেশ কার্যকর না করে রাজ্য সরকার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) যায়। কিন্তু সোমবার শীর্ষ আদালত হাইকোর্টের সিদ্ধান্তই বহাল রাখে। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, হাইকোর্ট যে সময়সীমা বেঁধে দেবে, তার মধ্যেই কাজ শেষ করতে হবে।

এদিন রাজ্যের পক্ষ থেকে আগামী মে মাস পর্যন্ত সময় চাওয়া হলেও তা খারিজ করে দেয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের (Surya Kant) বেঞ্চ। শুনানির সময় বেঞ্চের কড়া মন্তব্য, “এই প্রথম দেখছি কোনও রাজ্য উন্নয়নের বিরোধিতা করছে।” আদালত আরও প্রশ্ন তোলে, উৎসবের প্রস্তুতি বেশি গুরুত্বপূর্ণ, না কি যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি? ডিসেম্বরের বৈঠকের প্রসঙ্গ টেনে আদালত জানায়, সেই সময় উৎসবের কারণে কাজ করতে না পারার যুক্তি গ্রহণযোগ্য নয়। এরপরই রাজ্যকে নিজেদের আবেদন প্রত্যাহারের নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত (Supreme Court)।

SIR Dispute in Supreme Court Over Judicial Officers and Domicile Certificate

আরও পড়ুনঃ সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় বড় কাটছাঁট! নাম বাদ পড়লে কোথায় করবেন আবেদন? জানুন পুরো প্রক্রিয়া

উল্লেখ্য, গত ৬ জানুয়ারির মধ্যে চিংড়িঘাটা অংশের কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। সেই নির্দেশ মানা হয়নি বলেই আইনি জটিলতা আরও বেড়েছে। এখন সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) কড়া অবস্থানের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করার ওপরই জোর দেওয়া হচ্ছে বলে খবর সূত্রের।