DA মামলায় সুপ্রিম কোর্টে মুখ পুড়ল রাজ্যের! রায়কে স্বাগত জানিয়ে শুভেন্দু বললেন…

Published on:

Published on:

Suvendu Adhikari Welcomes Supreme Court Order on Pending DA Payment
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় স্বস্তির খবর। বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) সংক্রান্ত মামলায় গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। দেশের সর্বোচ্চ আদালত জানিয়ে দিয়েছে, রাজ্য সরকারকে বকেয়া ডিএ-র অন্তত ২৫ শতাংশ অবশ্যই মেটাতে হবে। মার্চ মাসের মধ্যেই এই টাকা পরিশোধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর এই রায়কে কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকারের স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

ডিএ রায় নিয়ে কী মন্তব্য করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)

বৃহস্পতিবার ডিএ সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া রায় নিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, ডিএ কোনও দান বা অনুদান নয়, এটি রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের আইনসিদ্ধ অধিকার। দেশের সর্বোচ্চ আদালত আজ সেই কথাই পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিল। এর ফলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আগের দাবি ভুল প্রমাণিত হয়েছে যেখানে তিনি বলেছিলেন, ডিএ কর্মচারীদের অধিকার নয়।

রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা বহু বছর ধরে বকেয়া ডিএ পাওয়ার জন্য আন্দোলন করে আসছেন। ট্রাইবুনাল, কলকাতা হাই কোর্ট একাধিক স্তরে আইনি লড়াই জেতার পরও রাজ্য সরকার বিষয়টি সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত নিয়ে যায়। অভিযোগ উঠেছে, কর্মচারীদের প্রাপ্য টাকা আটকে রাখতে সরকার বিপুল অর্থ খরচ করে দেশের নামী আইনজীবীদের নিযুক্ত করেছিল।

এই দীর্ঘ আন্দোলনের পথে কর্মচারীদের অনেক বাধার মুখে পড়তে হয়েছে। আন্দোলনের সময় তাঁদের পুলিশের লাঠিচার্জেরও সম্মুখীন হতে হয়েছে। তবুও তাঁরা ধৈর্য হারাননি। নিজেদের কাজ ঠিকভাবে করেছেন এবং বিচারব্যবস্থার উপর ভরসা রেখে আইনি পথেই লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন।

West Bengal Politics Suvendu Adhikari vs TMC

আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যেই আতঙ্ক! বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে নালিশ নির্বাচন কমিশনের

রায় ঘোষণার পর শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “আজকের এই রায় রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের জয়।” তিনি এই সংগ্রামে যুক্ত সমস্ত কর্মচারীকে অভিনন্দন জানান এবং তাঁদের ধৈর্য ও দৃঢ়তার প্রশংসা করেন। এই রায়ের পর রাজ্যের লক্ষ লক্ষ সরকারি কর্মচারীর মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। এখন সকলের নজর সুপ্রিম কোর্টের লিখিত রায় এবং রাজ্য সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।