হলফনামায় নেই সম্পত্তির সঠিক হিসেব? অদিতি-দেবরাজকে ঘিরে বড় প্রশ্ন তুললেন তরুণজ্যোতি তিওয়ারি

Published on:

Published on:

Tarunjyoti Tewari Raises Questions on Aditi–Debraj Assets in Rajarhat
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজারহাট-গোপালপুর বিধানসভা কেন্দ্রকে ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তরুণজ্যোতি তিওয়ারি (Tarunjyoti Tewari) একটি পোস্ট করে অদিতি মুন্সি ও তাঁর স্বামী দেবরাজের সম্পত্তির হিসাব নিয়ে একাধিক বিষয় সামনে এনেছেন। তিনি কাউকে দোষী বলেননি, কিন্তু কিছু তথ্য তুলে ধরে জানতে চেয়েছেন হলফনামায় যা দেখানো হয়েছে আর যা বাস্তবে আছে, তা কি একই?

পোস্টে কী দাবি তরুণজ্যোতির (Tarunjyoti Tewari)?

তরুণজ্যোতি তিওয়ারি (Tarunjyoti Tewari) তাঁর পোস্টে দাবি করেন, নির্বাচনী হলফনামায় অদিতির যে সম্পত্তির বিবরণ দেওয়া হয়েছে, তার সঙ্গে সরকারি banglarbhumi ও wbregistration পোর্টালের তথ্য মিলছে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ আছে। তরুণজ্যোতি বলেন, জগদীশপুর মৌজায় উল্লেখযোগ্য জমির মালিকানা থাকা সত্ত্বেও, সেই জমির উল্লেখ মনোনয়নপত্রে নেই।

এছাড়াও, তরুণজ্যোতি উল্লেখ করেন যে নির্বাচন ঘোষণার ঠিক আগে অর্থাৎ ২৫ মার্চ ২০২৬ একসঙ্গে একাধিক বড় সম্পত্তি বিক্রি, হস্তান্তর এবং উপহার দেওয়া হয়েছে। কালিম্পং ও রাজারহাটের জমি একই দিনে ট্রান্সফার হওয়ার বিষয়টিকে তিনি কাকতালীয় বলে মানতে পারছেন না বলেই ইঙ্গিত করেছেন। এই সম্পত্তিগুলি যাদের কাছে গেছে, সেই মানস পাত্র ও মানবী পাত্র কারা এবং তাঁদের সঙ্গে অদিতির সঙ্গে সম্পর্ক কী এই প্রশ্নও তুলেছেন তরুণজ্যোতি (Tarunjyoti Tewari)।

ওই পোস্টে তরুণজ্যোতি (Tarunjyoti Tewari) আরও প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন যদি এই সম্পত্তিগুলি সত্যিই বিক্রি হয়ে থাকে, তাহলে সেই বিপুল অর্থ কোথায় গেল? ব্যাঙ্ক ব্যালান্স, বিনিয়োগ বা নির্বাচনী হলফনামায় সেই অর্থের প্রতিফলন কেন দেখা যাচ্ছে না, তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছেন তিনি। সবচেয়ে বড় বিষয় হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে আয় ও সম্পত্তির অমিল। অদিতির দেখানো আয়ের সঙ্গে কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তির লেনদেনের কোনও মিল আছে কি না, তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে দেবরাজের নামও উঠে এসেছে।

আইনের দিকও উল্লেখ করে পোস্টে বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থী যদি সম্পত্তির তথ্য গোপন করেন বা ভুল তথ্য দেন, তাহলে তা Representation of the People Act, 1951-এর Section 125A অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য হতে পারে। পাশাপাশি মিথ্যা হলফনামা দেওয়া Bharatiya Nyaya Sanhita (BNS) অনুযায়ী অপরাধ হিসেবেও ধরা হয়।

Tarunjyoti Tiwari takes strict action against social media propaganda

আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে টুইস্ট! ফল ঘোষণার আগেই বড় বার্তা শুভেন্দুর

তবে গোটা বিষয়টিতে সরাসরি কাউকে দোষী বলা হয়নি। বরং তরুণজ্যোতি (Tarunjyoti Tewari) এই সব তথ্য সামনে এনে রাজারহাট-গোপালপুরের মানুষের কাছেই প্রশ্ন রেখেছেন এই বিষয়গুলোর স্পষ্ট উত্তর কি তারা জানতে চান না? এখন এই নিয়ে কী প্রতিক্রিয়া আসে, সেটাই দেখার।