বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের দিন (West Bengal Assembly Election 2026) সকাল থেকেই ভবানীপুরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। সাধারণত ভোটের দিন একটু পরে বাড়ি থেকে বের হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এবার সকাল সকালই তাঁকে এলাকায় ঘুরতে দেখা গেল। তিনি অভিযোগ করেন, রাতভর তৃণমূল কর্মীদের ভয় দেখানো হয়েছে। অন্যদিকে শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, ভবানীপুরে শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছে এবং মানুষ BJP-কেই ভোট দিচ্ছেন। একই দিনে ভোট দিয়ে কমিশনের ভূমিকাতেও প্রশ্ন তুললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সব মিলিয়ে ভোটের সকাল থেকেই জমে উঠেছে ভবানীপুরের লড়াই।
তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ করলেন মমতা (West Bengal Assembly Election 2026)
এদিন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মমতা অভিযোগ করেন, রাতভর এলাকায় অশান্তির পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। তাঁর দাবি, তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বসু ও তাঁর স্ত্রীকে গভীর রাতে হেনস্থা করা হয়েছে। বাড়ির দরজায় ধাক্কাধাক্কিও করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। মমতা বলেন, “আমি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নয়, প্রার্থী হিসেবে ঘুরছি। কাল সারারাত যা হয়েছে, সেটা সবাই জানে না। আমি আর অভিষেক সারারাত জেগে ছিলাম।”
কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী?
অন্যদিকে ভোটের সকালেই খিদিরপুরের হনুমান মন্দিরে পুজো দিতে যান শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি দাবি করেন, ভবানীপুরে মানুষ BJP-র পক্ষেই ভোট দিচ্ছেন। তাঁর কথায়, “হিন্দুরা ঢেলে BJP-কে ভোট দিচ্ছেন।” পাশাপাশি তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের ব্যবস্থাপনায় ভোট শান্তিপূর্ণভাবেই হচ্ছে। মমতার সকাল সকাল এলাকায় ঘোরা নিয়েও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না।”
এদিন সকালেই মিত্র ইনস্টিটিউশন কেন্দ্রে ভোট দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট দিয়ে বেরিয়ে তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন জায়গায় মানুষকে ভয় দেখিয়ে ভোট করানোর চেষ্টা চলছে। কমিশনের ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে তোলেন তিনি। অভিষেকের দাবি, স্পেশাল অবজার্ভারদের কাজ রিপোর্ট দেওয়া, বাড়ি বাড়ি গিয়ে অভিযান চালানো নয়। তাঁর কথায়, এসব করে কোনও লাভ হবে না, তৃণমূলই বড় ব্যবধানে জিতবে।

আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমবঙ্গের নারী ও যুবশক্তি…” ভোটের সকালেই বাংলার মহিলা ও তরুণ ভোটারদের জন্য বড় বার্তা মোদীর
ভোটের (West Bengal Assembly Election 2026) শুরু থেকেই ভবানীপুরে শাসক ও বিরোধী দলের এই পাল্টাপাল্টি অভিযোগে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়ে গেল।












