বর্ষার মরশুমে ইলিশ পাতে পড়লে মুখে চওড়া হাসি ফোটে ভোজনরসিকদের। পকেটের চাপ সামলেও অনেকেই চেষ্টা করেন ইলিশের (Hilsa Fish) মরশুমে এই মাছ বাড়িতে আনতে। কিন্তু স্বাদে গন্ধে সেরা হলেও সকলের পক্ষে কিন্তু এই মাছ খাওয়া মোটেই উচিত নয়। কী হতে পারে ইলিশ (Hilsa Fish) খেলে?
ইলিশ (Hilsa Fish) খাওয়া কি আদৌ শরীরের জন্য ভালো?
বাঙালি মানেই মাছ-ভাত প্রিয় অধিকাংশেরই। আর তার মধ্যে আবার প্রথম দিকেই থাকবে মাছের রানী ইলিশের নাম। ইলিশ (Hilsa Fish) মাছ ভাজা, সরষে ইলিশ, ভাপা বা পাতুরি খেতে পছন্দ করেন না এমন ভোজনরসিক বাঙালির সংখ্যা হাতে গোনা। দামের জন্য পকেটে টান পড়লেও এই মরশুমে অনেকেই সাধারণত হাতছাড়া করতে চান না ইলিশ (Hilsa Fish) খাওয়ার সুযোগ। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু মানুষের ইলিশ থেকে দূরে থাকাই উচিত।

কী সমস্যা ইলিশে: আরও অনেক সামুদ্রিক মাছের মতোই ইলিশেও রয়েছে হিস্টিডাইন। ইলিশ (Hilsa Fish) মাছ জল থেকে ডাঙায় তোলার পর সেই হিস্টিডাইন থেকে তৈরি হয় হিস্টামাইন। যদি মাছ ঠিকমতো সংরক্ষণ করা না হয় তাহলে হিস্টামাইনের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বিশেষ করে বরফে সংরক্ষণ করা মাছের ক্ষেত্রে হতে পারে এমনটা।
আরও পড়ুন : মাত্র ৩০ টাকা থেকে শুরু, শিয়ালদহ স্টেশনে লকার বুক করার পদ্ধতি জানেন?
কাদের ইলিশ খাওয়া উচিত নয়: বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যাদের অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে তাদের দূরেই থাকা উচিত ইলিশ (Hilsa Fish) থেকে। এমনকি এই মাছ খেলে হাঁপানির সমস্যাও বেড়ে যেতে পারে। তাই যারা এই সমস্ত রোগে ভোগেন তাদের ইলিশ (Hilsa Fish) মাছ এড়িয়ে চলাই ভালো। অন্তঃসত্ত্বা মহিলারা কিংবা যারা সন্তানকে স্তন্যপান করাচ্ছেন তাদেরও চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত ইলিশ খাওয়া থেকে বিরত থাকাই উচিত।
আরও পড়ুন : জেলা ভেদে পেট্রোল-ডিজেলের দামে বদল, বাংলার কোথায় কত রেট?
লিভার, কিডনির সমস্যা যাদের রয়েছে তারা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খেতে পারেন ইলিশ। ১০০ গ্রাম ইলিশে প্রায় ২১-২৩ গ্রাম মতো প্রোটিন থাকে। কিডনির অসুখ থাকলে ইলিশ এড়িয়ে চলাই ভালো। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকলে এই মাছ খাওয়ার আগে দুবার ভাবুন। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, বাজার থেকে সবসময় দেখেশুনে টাটকা ইলিশ মাছ কেনাই ভালো। তাহলে ক্ষতির আশঙ্কা কম থাকবে।













