বাংলা হান্ট ডেস্ক: সোমবার শেয়ার বাজারের (Share Market) বিনিয়োগকারীদের নজর কেড়েছে গুজরাট অ্যালকালিস অ্যান্ড কেমিক্যালস লিমিটেডের স্টক। সোমবার লেনদেনে BSE-তে এই স্টক ১৪.৪৪ শতাংশ বেড়ে ৬১৫.৮৫ টাকায় বন্ধ হয়েছে। সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, যে, এই বৃদ্ধি এমন এক সময়ে ঘটেছে যখন বাজারের পরিবেশ দুর্বল ছিল।
শেয়ার বাজারে (Share Market) দুর্দান্ত রিটার্ন দিচ্ছে এই স্টক:
ট্রেডিং ভলিউম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে: এই বৃদ্ধির ফলে কোম্পানিটির স্টকে ট্রেডিংয়ের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, কোম্পানিটির স্টকের গড় টার্নওভারও অনেকটাই বেড়েছে। এই বিপুল পরিমাণ লেনদেন থেকে বোঝা যায় যে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ হঠাৎ করে বেড়ে গেছে। জানিয়ে রাখি যে, এই স্টকের ৫২ সপ্তাহের সর্বনিম্ন স্তর হল ৪১০.০০ টাকা এবং ৫২ সপ্তাহের সর্বোচ্চ স্তর হল ৭০০,০০ টাকা।

শেয়ারের অবস্থা: সাম্প্রতিক সময়ের দিকে তাকালে, স্টকটিতে একটি উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখা গেছে। মাত্র গত ৭ টি ট্রেডিং দিনে, স্টকটির দাম প্রায় ৪৪.৩৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ১৭ মার্চ, ২০২৫-এ এই স্টকের দর ছিল ৪১৪.৪৫ টাকা। যা এখন বেড়ে ৬১৫.৮৫ টাকায় পৌঁছে গিয়েছে।
আরও পড়ুন: IPL-এর কারণে রেগে লাল PCB প্রধান! খেলোয়াড়দের হুমকি দিলেন মহসিন নকভি
এই বৃদ্ধির কারণ: এদিকে, এই বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে কোম্পানিতে প্রোমোটারের ক্রমবর্ধমান অংশীদারিত্বকে মনে করা হচ্ছে। গুজরাট নর্মদা ভ্যালি ফার্টিলাইজারস অ্যান্ড কেমিক্যালস ২০২৬ সালের ১৮ থেকে ২০ মার্চের মধ্যে খোলা বাজার থেকে প্রায় ৭.৩৪ লক্ষ শেয়ার ক্রয় করেছে, যা মোট শেয়ারের প্রায় ১ শতাংশ। এই ক্রয়ের জন্য কোম্পানিটি প্রায় ৩৫.৮৫ কোটি টাকা ব্যয় করেছে। এদিকে, এই ক্রয়ের ফলে প্রোমোটারের অংশীদারিত্ব পূর্বের ২.৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩.৪ শতাংশ হয়েছে। শুধুমাত্র ২০ মার্চেই কোম্পানিটি ২২.৮৩ কোটি টাকার শেয়ার ক্রয় করেছে। যেখানে ১৯ মার্চ ১২.৮৮ কোটি টাকার শেয়ার কেনা হয়েছিল। প্রোমোটারদের এই ধারাবাহিক শেয়ার ক্রয়কে বাজারে একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে। যা বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াচ্ছে।
আরও পড়ুন: ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত IPL-এ CSK-র হয়ে খেলবেন ধোনি? অবসরের প্রসঙ্গে কী জানালেন মাহি?
কোম্পানিটি সম্পর্কে বিস্তারিত: জানিয়ে রাখি যে, গুজরাট অ্যালকালিস দেশের রাসায়নিক শিল্পের মধ্যে অন্যতম বৃহত্তম একটি কোম্পানি। এটি কস্টিক সোডা থেকে শুরু করে ক্লোরিন এবং হাইড্রোজেন পারক্সাইডের মতো রাসায়নিক দ্রব্য উৎপাদন করে। যা বস্ত্র, কাগজ, প্লাস্টিক, ঔষধশিল্প এবং কৃষির মতো বিভিন্ন সেক্টরে ব্যবহৃত হয়। কোম্পানিটিতে গুজরাট সরকারেরও একটি শক্তিশালী অংশীদারিত্ব রয়েছে। যা এটিকে স্থিতিশীলতা প্রদান করেছে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা বজায় রেখেছে।
সতর্কীকরণ: শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের বিষয়টি অত্যন্ত ঝুঁকির। তাই, বিনিয়োগের আগে অবশ্যই অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের পরামর্শ গ্রহণ করুন।












