ভোটের আবহে হুমকি ! সরাসরি অভিযোগ জানান কমিশনে, চালু নম্বর

Published on:

Published on:

Threats in the election, report directly to the election commission of India
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : ভোটের মরসুমে নানা অভিযোগ, চাপ বা ভয়ের পরিবেশ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকেই। সেই পরিস্থিতিতে ভোটারদের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছ ভোট প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে বড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। কেউ যদি ভোটের সময় হুমকি পান বা ভয় দেখায়, তবে অভিযোগ জানাতে পারেন। সাধারণ মানুষরা সরাসরি কমিশনের কাছে অভিযোগ জানাতে পারবেন।

কমিশনের (Election Commission of India) টোল ফ্রি নম্বর

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোথাও অশান্তির সৃষ্টি হলে বা আইনশৃঙ্খলার সমস্যা তৈরি হলে, ভোটাররা যাতে দ্রুত তা জানাতে পারেন, সে জন্য আলাদা টোল ফ্রি নম্বর চালু করা হয়েছে। ইমেলের মাধ্যমেও অভিযোগ জানানোর সুবিধা রাখা হয়েছে। ফলে হুমকি দেওয়া, ভয় দেখানো, মারধর কিংবা এলাকার আইনশৃঙ্খলা নিয়ে যে কোনও সমস্যা সরাসরি কমিশনের নজরে আনা যাবে।

কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট ওই টোল ফ্রি নম্বরে ফোন করে ভোটাররা তাঁদের অভিযোগ জানাতে পারবেন। পাশাপাশি ইমেলের মাধ্যমেও একইভাবে অভিযোগ পাঠানো সম্ভব। এর ফলে ভোট চলাকালীন যেকোনও অনিয়ম বা ভয়ের পরিস্থিতি দ্রুত প্রশাসনের নজরে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগেও কমিশনের একটি হেল্পলাইন নম্বর ছিল—১৯৫০। এই নম্বরে ফোন করে ভোটাররা সাধারণ তথ্য বা সাহায্য পেতে পারেন।

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের জন্য আলাদা একটি টোল ফ্রি নম্বর চালু করা হয়েছে। ১৮০০৩৪৫০০০৮ নম্বরে ফোন করে সরাসরি অভিযোগ জানানো যাবে। পাশাপাশি (wbfreeandfairpolls@gmail.com) এই ইমেল আইডিতেও অভিযোগ পাঠানো যাবে।

Threats in the election, report directly to the election commission of India

আরও পড়ুন : জ্বালানি নিয়ে দুশ্চিন্তার মাঝে LPG নিয়ে বড় সুখবর দিল কেন্দ্র

সোমবার থেকেই এই পরিষেবা চালু হয়েছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগারওয়াল জানিয়েছেন, “নির্বাচন প্রায় এসেই গিয়েছে। এখন আমাদের কাছে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত অভিযোগ আসে। সেই কারণে আমরা পৃথক একটি টোল ফ্রি নম্বর এবং ইমেল আইডি চালু করলাম। যে কোনও সময় সেখানে অভিযোগ জানাতে পারবেন ভোটারেরা। অভিযোগ পাওয়ার পরে আমরা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব।” অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।