বাংলা হান্ট ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ফলে বিশ্বজুড়ে দেখা দিয়েছে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের অভাব। পাশাপাশি হরমুজ পথ খোলা নিয়ম কিছুদিন ধরে চলছে টানাপোড়ন। যার ফলে সারা বিশ্ব ক্ষয়ক্ষতের মুখে পড়ছে। আর এর ফলে দেখা দিয়েছে জ্বালানির সংকট। তবে এবার এই যুদ্ধের আতঙ্কের মধ্যেও রয়েছে কিছুটা স্বস্তির খবর। কারণ জানা যায় হরমুজ পেরিয়ে ভারতে এসেছে বহু গ্যাস ও তৈলবাহী জাহাজ। কিন্তু নিজেদের সেফ-জোন এ রাখতে এরই মধ্যে দেশে লিকুইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস এলপিজি উৎপাদন (LPG Cylinder) উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়েছে ভারত।
সংকট কাটিয়ে স্বস্তি, দেশে LPG উৎপাদন বৃদ্ধি জানাল কেন্দ্র (LPG Cylinder)
এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক জানিয়েছেন বর্তমানে দেশের মোট এলপিজি চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশ দেশি উৎপাদনের মাধ্যমে পূরণ করা হচ্ছে। যা আগে ছিল প্রায় ৪০শতাংশ। পাশাপাশি পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকে যুগ্ম সচিব সুজাতা সম্মান জানিয়েছেন “দেশে অপরিশোধিত তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং শোধনাগারগুলিও জোর কদমে কাজ করছে। প্রসঙ্গত, গত মাস থেকেই আন্তর্জাতিক সরবরাহ নিয়ে জটিলতা শুরু হয়েছে (LPG Cylinder)।”

আরও পড়ুন: মাধ্যমিকের রেজাল্ট কবে হাতে পাবেন? দিনক্ষণ নিয়ে বড় আপডেট দিল পর্ষদ
এছাড়াও ভারতের প্রয়োজনীয় এলপিজি-র প্রায় ৬০ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। যার সিংহভাগ আসে হরমুজ প্রণালী হয়ে। সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ওই পথে পণ্য পরিবহণে সমস্যা দেখা দেয়। এই সমস্যার পরে দেশে এলপিজি উৎপাদন বৃদ্ধি করতে তৎপর হয় কেন্দ্র।
তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি বারবার ঘরোয়া বাজারে গ্যাসের দাম ও জোগান স্থিতিশীল রাখার ওপর জোর দিয়েছেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে দাম আকাশছোঁয়া হলেও সাধারণ গ্রাহক ও শিল্পের ওপর তার পুরো বোঝা চাপাতে নারাজ সরকার।
এছাড়াও রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলির মাধ্যমে সরকার এই বর্ধিত ব্যয়ভার বহন করছে। রাজ্য সরকারগুলিকেও বলা হয়েছে। যাতে তারা দ্রুত সিবিজি বা কম্প্রেসড বায়ো গ্যাস নীতি কার্যকর করে (LPG Cylinder)।












