বাংলা হান্ট ডেস্ক : দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরের তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডলকে (Dilip Mondol) ঘিরে আইনি চাপ ক্রমশ বাড়ছে। একাধিক অভিযোগে তদন্তে তার গ্রেফতারির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে আশঙ্কা রাজনৈতিক মহলের একাংশের। এই পরিস্থিতিতে আগাম আইনি সুরক্ষা চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি।
হাইকোর্টের দ্বারস্থ দিলীপ মন্ডল (Dilip Mondal)
শুক্রবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে দিলীপ মন্ডলের আইনজীবী জরুরি ভিত্তিতে আবেদন জানালে আদালত মামলা দায়েরের অনুমতি দেয়। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই এই বিধায়ককে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বাড়তে শুরু করে। বিতর্কের সূত্রপাত শুরু হয় দিলীপ মন্ডলের মন্তব্য করা একটি ভিডিওকে ঘিরে।
ওই ভিডিওতে দিলীপ মণ্ডলকে বলতে শোনা যায়, “১৫ বছর ধরে অনেক সংযম দেখিয়েছিলাম। শান্তিতে রেখেছিলাম। কিন্তু আর তা হবে না।” এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্য রাজনীতিতে চাঞ্চল্য ছড়ায়। এরপর বিভিন্ন থানায় বিধায়কের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগ দায়েরের পরই গত ১৪ মে সকালে দিলীপ মণ্ডলের পৈলানের বাড়িতে পৌঁছে যায় পুলিশ ও র্যাফের বিশাল বাহিনী। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে তল্লাশি অভিযান।
তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মন্ডলের প্রাসাদ সমান বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে খোঁজ পাওয়া যায় একাধিক দামি গাড়ি, সুইমিং পুল, অভিজাত সাজসজ্জা এবং মূল্যবান কাঠের আসবাবের। যদিও এলাকায় খোঁজ মেলেনি বিধায়ককের। বিধায়ককে পাওয়া না গেলেও তদন্ত অভিযানে দিলীপ মন্ডলের ছেলে অর্ঘ্য মণ্ডল-সহ মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের কাছ থেকে কয়েকটি বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন : ‘গোটা প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি,স্রেফ কিছু প্রশ্ন বাইরে…’, নেট বিতর্কে ব্যখ্যা এনটিএ-র
ছেলের গ্রেফতারের পর নিজের বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপের আশঙ্কাতেই শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন দিলীপ মণ্ডল। এখন এই মামলায় হাইকোর্ট কী অবস্থান নেয় এবং তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।













