বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বেশ কিছুদিন ধরেই শিরোনামে রয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। বিধানসভা ভোটের ফলপ্রকাশের পর সোনারপুরে গিয়ে জনরোষের মুখে পড়েছিলেন তিনি। সেই সঙ্গেই বিধানসভার সই-জাল কাণ্ডেও তাঁর নাম জড়ায়। একসময় কয়লা পাচার মামলাতেও অভিষেক ও তাঁর স্ত্রী (Abhishek Banerjee Wife) রুজিরা নারুলা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম জড়িয়েছিল। তবে আপনি কি জানেন, অভিষেকের স্ত্রী কত সম্পত্তির মালকিন?
অভিষেকের স্ত্রী-র সম্পত্তির পরিমাণ- (Abhishek Banerjee Wife)
ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা থাইল্যান্ডের নাগরিক। বন্দ্যোপাধ্যায় দম্পতির দুই সন্তান রয়েছে। মেয়ে আজানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় ও ছেলে আয়াংশ বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম ফিল আপ এবার আরও সহজ! বাড়ি বসে কয়েক মিনিটেই করুন, জানুন পদ্ধতি
২০২৪ লোকসভা ভোটে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে রেকর্ড ভোটে জয়লাভ করেছিলেন অভিষেক। সেই নির্বাচনের সময়ই নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হলফনামায় নিজের ও স্ত্রীর সম্পত্তির পরিমাণ তুলে ধরেছিলেন তৃণমূল নেতা।
সেই তথ্য অনুসারে, ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে অভিষেক-পত্নীর সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ১ কোটি ১৪ লাখ ৩৪ হাজার ৬৯০ টাকার। ২০১৯-২০ আর্থিক বছরে তা অনেকটা কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৫৯ লাখ ৩ হাজার ৪৪০ টাকা। ২০২০-২১ অর্থবর্ষে তা আবার কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে হয় ৭৯ লাখ ৫ হাজার ১৭০ টাকা। ২০২১-২২ সালে রুজিরার সম্পত্তির পরিমাণ ফের কমে দাঁড়ায় ৬০ লাখ ৬৫ হাজার ৯৯৯ টাকা। ২০২২-২৩ সালে অভিষেক-পত্নীর সম্পত্তির কোনও তথ্য দেওয়া ছিল না বলে খবর।

২০২৪ সালে জমা দেওয়া এই হলফনামা অনুযায়ী, অভিষেক-রুজিরারা (Rujira Narula Banerjee) ৩ লক্ষ টাকা দিয়ে একটি ছবি কিনেছেন। সেই সঙ্গেই তৃণমূল নেতার স্ত্রীর ৩০ লক্ষ টাকার এলআইসি রয়েছে। এগুলির পাশাপাশি সেই সময় তাঁর কাছে ৬৫৮ গ্রাম সোনা ও ২.৩ কেজি রুপো গচ্ছিত ছিল। ২০২৪ সালের ১ মে ও ৩ জুনে এই গচ্ছিত সোনা ও রুপোর বাজারদর ছিল যথাক্রমে ৪৩ লাখ ৭৮ হাজার ৩৩২ টাকা ও ১ লাখ ৯২ হাজার ৫০ টাকা। সব মিলিয়ে, সেই সময় রুজিরার অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৭৮ লাখ ৭০ হাজার ৩৮২ টাকা।
অন্যদিকে অভিষেকের কথা বলা হলে, তৃণমূল তো বটেই, বঙ্গ রাজনীতির হেভিওয়েট নেতাদের মধ্যে একজন তিনি। ২০২৪ সালে লোকসভা ভোটে বিপুল মার্জিনে জয়লাভ করেছিলেন। যদিও তার ২ বছরের মধ্যেই বিধানসভা ভোটে ভরাডুবির সম্মুখীন হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এরপর থেকে অভিষেকের বিরুদ্ধে সরব হতে শুরু করেছেন দলেরই একাধিক নেতা।














