বাংলা হান্ট ডেস্কঃ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Kalyan Banerjee) বহিষ্কার করার দাবিতে লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakoli Ghosh Dastidar)। অভিযোগ, তাঁর পাশাপাশি অন্য মহিলা সাংসদদেরও ‘অসম্মানজনক’, ‘আপত্তিকর’ কথা বলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ। এক নয়, একাধিকবার এই রকম করেন তিনি। এবার পাল্টা সরব হলেন তৃণমূল সাংসদ।
নাম না করেই কাকলিকে আক্রমণ কল্যাণের | (Kalyan Banerjee)
মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টে এসেছিলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ। সেখানেই এই বিষয়ে মুখ খোলেন তিনি। প্রবীণ নেতা বলেন, “যা অভিযোগ আনা হয়েছে সত্যি নয়, কল্পনাপ্রসূত। সব অভিযোগ মিথ্যা। আপনারা লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন, উনি ৬ মে-র পর থেকে দলের থেকে দূরত্ব বাড়াতে শুরু করেন। আমি চিফ হুইপের দায়িত্ব পেলাম। এরপর উনি একটা অন্য দলে যোগ দেন”।
আরও পড়ুনঃ রাজ্যের সব স্কুলের জন্য সরকারের নয়া নির্দেশ! জারি বিজ্ঞপ্তি
রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে দলের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে বলে দাবি করেন কল্যাণ। তাঁর কথায়, পদ হারানোর রাগের বহিঃপ্রকাশ ঘটছে। এই অভিযোগগুলির কোনও সত্যতা নেই। অনেক ভাবনাচিন্তা করে বানানো রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র।
কাকলি তাঁকে নারী বিদ্বেষী হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করছেন এই অভিযোগ তুলে ২০১১ সালে পার্ক স্ট্রিট ধর্ষণ কাণ্ডের কথা টেনে আনেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি প্রশ্ন করেন, সেদিন এক মহিলা ধর্ষিতা হয়েছিলেন, তাঁকে উনি কী বলেছিলেন মনে আছে?

এদিন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের প্রসঙ্গও টেনে আনেন কল্যাণ। তিনি বলেন, “একজন মহিলা হয়ে মহিলার বিরুদ্ধে বলেছেন। অগ্নিমিত্রা পাল অত্যন্ত ভাল পরিবারের। ওর বাবা চিকিৎসক অশোক রায়কে আমি চিনি। ভীষণ শ্রদ্ধা করি। উনি ভীষণ ভাল পরিবারের মেয়ে। ওনাকেও ছাড়েননি। ব্যঙ্গ করে যা নয় তাই বলেছেন।“
রাজ্যে পালাবদলের পর তৃণমূল শিবির দু’ভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই কাকলি সহ ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ এনসিপিআই-য়ে মিশে যাওয়ার ঘোষণা করেছেন। অন্যদিকে কল্যাণ, মহুয়া, কীর্তিরা রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে। এই আবহে ফের একবার শিরোনামে উঠে এল কল্যাণ-কাকলি ‘দ্বন্দ্ব’।













