বাংলা হান্ট ডেস্কঃ তৃণমূলের (TMC) যুব নেতাদের প্রসঙ্গ উঠলে শুরুর দিকেই থাকে দেবাংশু ভট্টাচার্যের (Debangshu Bhattacharya) নাম। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচন, ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে টিকিট দিয়েছিল জোড়াফুল শিবির। তবে সম্প্রতি দল নিয়ে বেশ কিছু বিতর্কিত মন্তব্য করে সংবাদের শিরোনামে উঠে এসেছিলেন তিনি। এই আবহে তাঁকে দলীয় পদ থেকে সরিয়ে দিল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের সোশ্যাল মিডিয়া সেলের চেয়ারপার্সন পদ হারালেন এই যুব নেতা।
দেবাংশুকে নিয়ে কড়া সিদ্ধান্ত তৃণমূলের! | (Debangshu Bhattacharya)
ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে চুঁচুড়া কেন্দ্রে দেবাংশুকে প্রার্থী করেছিল তৃণমূল। তিনবারের বিধায়ক, অভিজ্ঞ অসিত মজুমদারকে সরিয়ে এই তরুণ তুর্কির উপর ভরসা করেছিল দল। যদিও জয়ের মুখ দেখতে পারেননি তিনি। বিজেপির সুবীর নাগের কাছে পরাজয়ের পর কার্যত ‘উধাও’ হয়ে গিয়েছিলেন এই যুব নেতা।
আরও পড়ুনঃ PM Kisan-এর ২৩তম কিস্তির টাকা কবে অ্যাকাউন্টে ঢুকবে? নয়া আপডেট জানুন
তৃণমূলে ভাঙনের আবহে সম্প্রতি দল নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ও সংবাদমাধ্যমে বেশ কিছু বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন দেবাংশু। এরপরেই তাঁকে তৃণমূলের সোশ্যাল মিডিয়া সেলের চেয়ারপার্সন পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল। তাঁর জায়গায় উপাসনা চৌধুরীকে নিয়ে আসা হয়েছে।
এদিকে বিধানসভা ভোটে ভরাডুবির পর তৃণমূল শিবিরে ভাঙনের ছায়া নেমে এসেছে। পরিষদীয় দলের পর তৃণমূলের সংসদীয় দলেও ফাটল দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কিছুদিন আগেই দলের সব কমিটি ভেঙে দিয়েছিল তৃণমূল। তবে জল্পনা, সেই নতুন কমিটির পদাধিকারীদের মধ্যেও অনেকে বিদ্রোহী শিবিরে নাম লেখাতে পারেন। এর জেরে ফের কিছু রদবদল করা হয়েছে।

সায়নী ঘোষকে সরিয়ে যুব তৃণমূলের সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্থানে উত্তর কলকাতার তৃণমূল সভাপতি হয়েছেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। এছাড়া মহিলা তৃণমূলের দায়িত্ব পেয়েছেন আলিফা আহমেদ ও দলের সোশ্যাল মিডিয়া চেয়ারপার্সন করা হয়েছে উপাসনা চৌধুরীকে।
ভোটে ভরাডুবির পর তৃণমূলের অন্দরে টালমাটাল পরিস্থিতি এখনও অব্যাহত। একের পর এক বিধায়ক-সাংসদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিচ্ছেন। আগামীদিনে আর কী কী হয় আপাতত সেটাই দেখার।













