পহেলগাঁও হামলার ‘ক্ষত’ সরিয়ে ১০ মাস পর খুলছে ভূস্বর্গের ১৪ টি পর্যটনস্থল, রইল তালিকা

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: পহেলগাঁও হামলার (2025 Pahalgam Attack) পর নিরাপত্তার কারণে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল জম্মু ও কাশ্মীরের একাধিক পর্যটনকেন্দ্র। প্রায় দেড় মাস পর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ১৪টি পর্যটনস্থল খুলে দেওয়ার নির্দেশ দিলেন জম্মু ও কাশ্মীরের উপরাজ্যপাল মনোজ সিংহ। সোমবার তাঁর দফতর থেকে জানানো হয়েছে, সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় ধাপে ধাপে পর্যটনকেন্দ্রগুলি পুনরায় চালু করা হচ্ছে।

পহেলগাঁও হামলার (2025 Pahalgam Attack) ১০ মাস পর খুলছে কাশ্মীরের ১৪ টি পর্যটনস্থল

গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁও-এ জঙ্গি হামলায় প্রাণ হারান ২৬ জন, যাঁদের অধিকাংশই ছিলেন পর্যটক। ঘটনার পরপরই প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ নিয়ে প্রায় ৫০টি পর্যটনস্থল সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। উপরাজ্যপালের দফতর এক্স হ্যান্ডেলে জানায়, নিরাপত্তার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল এবং বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে বেশির ভাগ কেন্দ্র পুনরায় খুলে দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: পাকিস্তানকে মোক্ষম ঝটকা ভারতের! এবার পড়শি দেশে প্রবাহিত হবে না এই নদীর অতিরিক্ত জল

এর আগেও গত সেপ্টেম্বরে প্রশাসন ১২টি পর্যটনকেন্দ্র খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। সোমবারের নির্দেশ কার্যকর হলে কাশ্মীর উপত্যকায় মোট ২৬টি পর্যটনস্থলে পর্যটকদের প্রবেশাধিকার মিলবে। প্রশাসনের মতে, পর্যটন শিল্প রাজ্যের অর্থনীতির অন্যতম স্তম্ভ, তাই নিরাপত্তা নিশ্চিত করে পর্যায়ক্রমে সব কেন্দ্রই খুলে দেওয়া হবে।

যে সব পর্যটনস্থল খুলে দেওয়া হচ্ছে, তার মধ্যে রয়েছে ইউসমার্গ, দুধপাথরি, কোকেরনাগের দাণ্ডিপোরা পার্ক, পির কি গলি, ডাবজান, শোপিয়ানের পারপওয়ান ও অষ্টনপোরা, টিউলিপ বাগান, থাজওয়াস হিমবাদ, গান্দেরবালের হাঙ্গ পার্ক, উল্লার হ্রদ এবং বারামুল্লার ওয়াতলব। জম্মু অঞ্চলে রিয়াসির দেবী পিণ্ডি, রাম্বানের মাহু মাঙ্গত এবং কিশ্তওয়ারের মুঘল ময়দানও খুলে দেওয়া হচ্ছে।

14 tourist spots in Kashmir reopen 10 months after 2025 Pahalgam attack

আরও পড়ুন: ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ ভারতের সংযমের প্রশংসা! মার্কিন সেনাকর্তার বার্তায় অস্বস্তি পাকিস্তানের

প্রশাসন আরও জানিয়েছে, বরফ গলে গেলে গুরেজ়, আথওয়াতু, বাঙ্গুস উপত্যকা এবং জম্মুর রামকুণ্ডও পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হবে। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও শিথিলতা না রেখেই পর্যটন পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্য নিয়েছে প্রশাসন। বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত রাজ্যে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনার বার্তা বহন করছে এবং পর্যটন ব্যবসায় নতুন গতি আনতে সহায়ক হবে।