বাংলা হান্ট ডেস্ক: হুগলি জেলার এমন একটি পর্যটক কেন্দ্র রয়েছে যেখানে আপনি সপ্তাহ শেষে পরিবারের সকলকে নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন। এখানে আসলে পরে আপনি প্রাণভরে প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করতে পারবেন। পাশাপাশি উপভোগ করতে পারবেন গ্রাম্য পরিবেশ। আজকের প্রতিবেদনে রইল একদিনের সফরে আপনি কি কি দেখতে পাবেন এখানে আসলে।
হুগলির বুকে টেরাকোটার স্বর্গ, দিনভর ঘুরে দেখুন এই দুই অনন্য গ্রাম (Travel)
শহরের কোলাহল ছেড়ে আপনি যদি চান প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করতে তাহলে অবশ্যই একদিনের জন্য ঘুরে আসুন হুগলির এই দুটি গ্রাম থেকে (Travel)। এখানে আসলে পরে আপনি একদিকে যেমন প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করতে পারবেন অপরদিকে পাবেন গ্রাম্য পরিবেশের ছোঁয়া। অতএব পরিবার ও প্রিয়জনকে নিয়ে ঘুরতে আসলে অবশ্যই ঘুরে আসতে পারেন এখান থেকে।

আরও পড়ুন: মাছ নরম ও রসালো রাখতে চান? রান্নার সময় এই ৭ ভুল একেবারেই করবেন না
রাজরাজেশ্বর মন্দির : বাংলার টেরাকোটা শিল্পের এক অনন্য নিদর্শন। ১৭২৮ সালে এই মন্দির নির্মাণ করেন অপূর্ব মোহন সিংহরায়। মন্দিরের সামনের দেওয়ালে রয়েছে পোড়ামাটির ফলকে রাম-রাবণের যুদ্ধ, কৃষ্ণের নৌকাবিলাস, দুর্গা, সরস্বতী, অর্জুন প্রভৃতির মূর্তি ও পর্তুগীজ সৈন্যদের চিত্র রয়েছে। মন্দির প্রাঙ্গণের পাশেই তিনটি জীর্ণ মহাদেবের মন্দিরও রয়েছে।
দ্বারিকা চণ্ডী মাতার মন্দির: চাইলে আপনি ঘুরে দেখতে পারেন শ্রী শ্রী দ্বারিকা চণ্ডী মাতার মন্দিরের সামনে।সিংহরায় পরিবারই এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিল। এখানে দ্বারিকা চণ্ডী আসলে চতুর্ভুজা দুর্গা। মন্দিরের বয়স প্রায় ৩০০ বছর। মাঝে প্রায় একশো বছর এই মন্দিরে পুজো হত না। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত এই মন্দির খোলা থাকে।
আঁটপুর: আপনি ঘুরে দেখতে পারেন দ্বারহাট্টা ঘুরে টেরাকোটার গ্রাম আঁটপুরে পৌঁছে যান। শ্রীরামপুর মহকুমার জাঙ্গীপাড়া থানার অন্তর্গত এই গ্রাম। এখানে ঘুরে দেখুন রামকৃষ্ণ মঠ, ধুনিমণ্ডপ, দুর্গা মণ্ডপ ইত্যাদি জায়গা (Travel)।
পাশাপাশি এখানে আসার জন্য আপনাকে শিয়ালদা থেকে হুগলি ট্রেন ধরে আসতে হবে। আর আপনি যদি দূরে থেকে আসেন তাহলে এখানে বেশ কিছু হোটেল রয়েছে। পরিবার নিয়ে আসলে পরে আগের থেকে হোটেল গুলো বুকিং করে আসা শ্রেয় হবে (Travel)।













