বাংলা হান্ট ডেস্ক: সামনেই আসছে দোল উৎসব। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে রঙের খেলা হয়। আর এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় পলাশ ফুল দেখতে পাওয়া যায় (Travel)। আর সেই পলাশের আশায় দোল পূর্ণিমা উপলক্ষে পুরুলিয়ার ট্রিপ পরিকল্পনা করেন। এবার আপনিও যদি এ বছর পুরুলিয়া যাওয়ার কথা ভেবে, তাহলে অবশ্যই এই জায়গাগুলো ঘুরে দেখবেন।
বসন্তের সেরা ফটোস্পট পলাশে মোড়া বাঁকুড়ার ৩ জায়গা জানুন (Travel)
নতুন বছর শুরু হতেই কোথাও না কোথাও ঘুরতে যেতে সকলের ইচ্ছে করে। তবে অফিসের ছুটি ম্যানেজ না করতে পারায়, দূরে ঘুরতে যাওয়া মুশকিল হয়ে দাঁড়ায়। তার ওপর সামনেই আছে দোল উৎসব। দুদিনের ছুটিতে ঘুরতে যেতে পারেন পুরুলিয়ায় । কারণ এখানে গেলে পরে একদিকে যেমন আপনি প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করতে পারবেন। অপরদিকে দুদিনের ছুটি কাটিয়ে আসতে পারবেন এই মরশুমে (Travel)।

শিউলিবনা: বাঁকুড়ার দ্বিতীয় উচ্চতম পাহাড় শুশুনিয়া। শুশুনিয়ার পাদদেশে এক আদিবাসী গ্রাম শিউলিবনা। এই জায়গাটি শাল-পিয়ালের জঙ্গলে ঢাকা। পলাশ দেখতে ঢুঁ মারতে পারেন এখানে। পাহাড়ের উপরে উঠলে মনে হবে জঙ্গলে যেন আগুন লেগেছে। চারদিক পলাশে ঢাকা। পলাশ ছাড়াও শিউলিবনার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য চোখ জুড়ানো। পাহাড়ের গায়ে রয়েছে চন্দ্রবর্মনের প্রাচীন শিলালিপি।
মুকুটমণিপুর: মুকুটমণিপুরেও পলাশ দেখতে যেতে পারেন। কংসাবতী ও কুমারী নদীর মিলনস্থলে গড়ে উঠেছে মুকুটমণিপুর জলাধার। চারধার ঘেরা সবুজ পাহাড় ও টিলা দিয়ে। বসন্ত এলেই সেই সবুজই লাল হয়ে ওঠে। ভরে ওঠে লাল পলাশে। মুকুটমণিপুরের কাছেই রয়েছে কংসাবতী বাঁধ। ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম মাটির বাঁধ।
কুহুবুরু: কুহুবুরু বসন্তে যেন আগুন রং লাগে। পুরুলিয়ার কুহুবুরু বেশ নির্জন। শান্ত পরিবেশ এবং গ্রামবাসীদের সাদামাঠা জীবনযাপন এখানকার প্রধান আকর্ষণ। অযোধ্যা পাহাড় থেকে কুহুবুরুর দূরত্ব প্রায় ১২ কিলোমিটার। কাছেই রয়েছে বারেডি ঝর্না। ছোট্ট হাইকিং বা বাইক রাইডের জন্যও বেছে নিতে পারে কুহুবুরুকে। ট্রেনে পুরুলিয়া বা মুড়ি বা চান্ডিল পৌঁছে সেখান থেকে গাড়ি ভাড়া করে পৌঁছে যেতে পারেন কুহুবুরু (Travel)।













