বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের আগে হঠাৎ করেই বহু মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার অভিযোগ উঠতেই শুরু হয় বিতর্ক। এই পরিস্থিতিতে ট্রাইবুনাল স্পষ্ট জানিয়ে দিল (Tribunal Orders), কোনও ভোটারের নাম বাদ দিতে গেলে আগে তাঁকে নোটিস দিতে হবে এবং নিজের কথা বলার সুযোগ দিতে হবে। অর্থাৎ, যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়া কাউকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে বেঞ্চ।
ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে কড়া নির্দেশ ট্রাইবুনাল (Tribunal Orders)
প্রথম দফার ভোটের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন ও যাচাই প্রক্রিয়া নিয়ে কঠোর নির্দেশ দিয়েছে ট্রাইবুনাল (Tribunal Orders)। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে গঠিত বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, কোনওভাবেই নোটিস ছাড়া ভোটারের নাম বাদ দেওয়া যাবে না। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আগে জানাতে হবে এবং তাঁর বক্তব্য শোনার সুযোগ দিতে হবে।
কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, অনলাইনে জমা পড়া আবেদনগুলির নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে আবেদনকারীর পারিবারিক সংযোগ যেমন বাবা বা মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক যদি প্রমাণিত হয়, তাহলে দ্রুত সেই মামলার নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
প্রতিদিন বিচারপতিরা লগ-ইন করে প্রায় ১০টি করে মামলার নিষ্পত্তি করছেন। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রতিটি মামলার ক্ষেত্রে ‘গ্রহণ’ বা ‘খারিজ’-এর কারণ ২ হাজার ক্যারেক্টারের মধ্যে বিস্তারিতভাবে পোর্টালে লিখে দেওয়া হচ্ছে। সোমবার পর্যন্ত যেসব মামলার নিষ্পত্তি সম্পূর্ণ হবে, তাদের নাম নিয়ে একটি সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করা হবে। এই তালিকায় যাঁদের নাম থাকবে, তাঁরা ভোট দিতে পারবেন। তবে এই তালিকায় আলাদা করে ‘ডিলিটেড’ ভোটারদের নাম প্রকাশ করা হবে না।

আরও পড়ুনঃ ভোটের আগে বাড়ি আসবেন? ১৬ স্পেশাল ট্রেন চালু করল রেল, দেখে নিন রুট
যাচাই প্রক্রিয়ার সময় বেশ কিছু নথি দেখে বিস্মিত হয়েছেন বিচারপতিরা। দেখা গিয়েছে, তালিকা থেকে বাদ পড়া ভোটারদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মহিলা রয়েছেন। এই বিষয়টি সামনে আসতেই প্রতিটি ক্ষেত্রে নোটিস পাঠানোর বিষয়টিকে আরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে কোনও বৈধ ভোটার প্রশাসনিক ভুলে বাদ না পড়েন (Tribunal Orders)।












