বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বিহারে প্রকাশ্যে মাছ-মাংস কাটা বন্ধের নির্দেশিকা ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে। এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছে তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)। তবে প্রশ্ন উঠছে, ২০১৮ সালের বহু আগেই তৃণমূল পরিচালিত দক্ষিণ দমদম পৌরসভা তো একই ধরনের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল। তাহলে এখন আপত্তি কেন?
আগে কী করেছিল তৃণমূল (Trinamool Congress) পরিচালিত পৌরসভা?
সূত্রের দাবি, ২০১৮ সালের অনেক আগে থেকেই তৃণমূল (Trinamool Congress) পরিচালিত দক্ষিণ দমদম পৌরসভা বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল যে খোলা রাস্তায় বা প্রকাশ্যে মাছ ও মাংস কাটা যাবে না। সেই সময় যুক্তি ছিল, প্রকাশ্যে রক্তপাত সভ্য সমাজে মানানসই নয় এবং স্বাস্থ্যবিধির দিক থেকেও তা ঠিক নয়। দোকানের ভিতরে বা আড়াল করে কাটার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল পরিবেশ পরিষ্কার রাখা এবং সাধারণ মানুষের অস্বস্তি কমানো।
এখন বিহারে কী হয়েছে?
সম্প্রতি বিহার সরকারও একই ধরনের নির্দেশিকা জারি করেছে যে প্রকাশ্যে মাছ ও মাংস কাটা যাবে না। তবে সেই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছে তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)। তাদের অভিযোগ, এই নির্দেশিকার পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে এবং এটি মানুষের খাদ্যাভ্যাসে হস্তক্ষেপ।
রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, যদি প্রকাশ্যে মাছ-মাংস কাটা বন্ধের নিয়ম আগে তৃণমূল (Trinamool Congress) পরিচালিত পৌরসভাগুলিই করে থাকে, তাহলে এখন বিহারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা কেন? একদিকে স্বাস্থ্যবিধি ও শৃঙ্খলার যুক্তি, অন্যদিকে রাজনৈতিক অবস্থান, এই দুইয়ের ফারাক নিয়েই শুরু হয়েছে আলোচনা।

আরও পড়ুনঃ ভোটের আগে তৃণমূলের জোর প্রস্তুতি, কালীঘাটে টানা বৈঠক, কী নিয়ে হল আলোচনা?
সব মিলিয়ে বিতর্কের জায়গাটা খুব স্পষ্ট। আগে তৃণমূল (Trinamool Congress) পরিচালিত পৌরসভা প্রকাশ্যে মাছ-মাংস কাটা বন্ধে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল। তখন সেটাকে স্বাস্থ্য ও শৃঙ্খলার বিষয় বলা হয়েছিল। এখন বিহারে একই ধরনের নির্দেশিকা জারি হতেই রাজনৈতিক আপত্তি উঠছে। তাই সাধারণ মানুষের মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, একই নিয়ম যদি এক জায়গায় ঠিক হয়, তবে অন্য জায়গায় তা নিয়ে আপত্তি কেন? এই প্রশ্নের উত্তর নিয়েই এখন রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।














