অভিষেকের বাড়ি নিয়ে নোটিশ বিতর্কের মাঝেই, বোরো পদ ছাড়লেন ফিরহাদ ঘনিষ্ঠ তৃণমূল চেয়ারম্যান দেবলীনা

Published on:

Published on:

Trinamool‌ Congress chairman Debolina, close to Firhad, resigns from Borough post
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : কলকাতা পুরসভার তরফে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একাধিক সম্পত্তি নিয়ে তথ্য চাওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে হরিশ মুখার্জি রোডের ‘শান্তিনিকেতন’ বাড়ির কিছু অংশ ভাঙা পড়তে পারে কি না, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে জল্পনা। এই আবহের মধ্যেই বড় পদক্ষেপ নিলেন তৃণমূল(Trinamool Congress) কাউন্সিলর দেবলীনা বিশ্বাস (Debolina Biswas)।

তৃণমূল(Trinamool Congress) বোরো চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দেবলীনার

দেবলীনা বিশ্বাস ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের এই কাউন্সিলর ৯ নম্বর বরোর চেয়ারপার্সনের পদ থেকে ইস্তফা দিতে চেয়েছেন বলে জানা গেছে।
সূত্রের খবর, রাজনৈতিক কারণ দেখিয়ে তিনি ওই পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

যদিও তৃণমূলের অন্দরেই অন্য ব্যাখ্যা ঘুরছে। জানা যাচ্ছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কয়েকটি সম্পত্তি দেবলীনার বরো এলাকার মধ্যেই পড়ে। সেই কারণে দলের তরফে তাঁর উপর চাপ তৈরি হচ্ছিল কি না, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। দেবলীনা বিশ্বাসকে মেয়র ফিরহাদ হাকিমের ঘনিষ্ঠ বলেই সকলে জানে।

এদিকে, কলকাতা পুরসভার তরফে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে যে নোটিস পাঠানো হয়েছে, সেই বিষয়ে মেয়র ফিরহাদ হাকিমও নাকি প্রথমে অবগত ছিলেন না। এমন পরিস্থিতিতে দেবলীনার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা বাড়িয়েছে।

জানা গিয়েছে, দেবলীনা বিশ্বাস নিজের হাতে লেখা ইস্তফাপত্র মেয়র পারিষদ মালা রায়ের কাছে পাঠিয়েছিলেন। তবে সেই সময় মালা রায় অফিসে উপস্থিত না থাকায় চিঠিটি আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়নি বলেই খবর। এই বিষয়ে দেবলীনা বিশ্বাস জানিয়েছেন, “দলগত কারণেই এই সিদ্ধান্ত।এতদিন ওই চেয়ারে বসে কাজ করেছি। কিন্তু এখন সমস্যা হচ্ছে।” সেই কারণেই তিনি পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। যদিও তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, “বরো চেয়ারপার্সনের পদ ছাড়তে চাইলেও কাউন্সিলর থাকব”।

Trinamool‌ Congress chairman Debolina, close to Firhad, resigns from Borough post

আরও পড়ুন : ভবানীপুরে মমতার ‘গো‌ হারার’ ছবি স্পষ্ট, ২৮টি বুথে ৫০ বা তার কম ভোট, রিপোর্ট সামনে আনল কমিশন

তৃণমূল দলের এই টালমাটাল পরিস্থিতিতে দেবলীনা বিশ্বাসের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিছক প্রশাসনিক, নাকি তার নেপথ্যে রয়েছে আরও বড় রাজনৈতিক সমীকরণ- তা নিয়েই এখন সরগরম কলকাতার রাজনৈতিক মহল।