বাংলা হান্ট ডেস্ক : একসময় জলাশয় দখল নিয়ে যাঁর নাম বারবার রাজনৈতিক মহলে উঠে এসেছে, এখন তিনিই অভিযোগ করছেন তাঁর মাছের খামার থেকে কোটি টাকার কাছাকাছি সম্পদ লোপাট হয়ে যাচ্ছে। উত্তর দমদম পুরসভার চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা বিধান বিশ্বাসের (Bidhan Biswas) এই অভিযোগ ঘিরে এলাকায় শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক চর্চা।
অভিযোগ তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা বিধান বিশ্বাসের
দীর্ঘদিন ধরে মাছচাষ ও মাছের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত বিধান বিশ্বাসের দাবি, উত্তর দমদম এলাকায় তাঁর একাধিক ঝিল ও জলাশয় রয়েছে। সম্প্রতি সেইসব জলাশয় থেকে মাছ তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এর ফলে ইতিমধ্যেই বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে তাঁকে। বিষয়টি নিয়ে তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন বলেও জানিয়েছেন।
এই প্রসঙ্গে, উত্তর দমদমের তৃণমূল উপপ্রধান বিধান বিশ্বাস বলেন, “আমার শুধু একটা ঝিল না। বহু ঝিল। উত্তর দমদমে। সমস্ত কিছু লুট করে নিয়েছে ওরা। প্রায় ৮০ লক্ষ টাকার উপরে মাছ তারা লুট করেছে। আমি নিমতা থানায় এফআইআর করেছি।”
উল্লেখ্য, রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি এলাকায় সফল মৎস্য ব্যবসায়ী হিসেবেও পরিচিত বিধান বিশ্বাস। অতীতে তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন পুকুর ও ঝিল দখলের অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিযোগ নিয়ে বহুবার বিতর্কও তৈরি হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি ভিন্ন। এবার তিনি নিজেই দাবি করছেন, তাঁর বৈধভাবে পরিচালিত জলাশয়গুলিকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা মাছ চুরির ঘটনা ঘটাচ্ছে।
এই ব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিধান বিশ্বাস বলেন, “ছোটবেলা থেকেই আমাদের মাছের ব্যবসা। এটাই আমার জীবিকা। আমার শুধু একটা ঝিল না। বহু ঝিল। উত্তর দমদমে। সমস্ত কিছু লুট করে নিয়েছে। প্রায় ৮০ লক্ষ টাকার উপরে মাছ তারা লুট করেছে। আমি নিমতা থানায় এফআইআর করেছি। ঝিল লিজ নিয়ে, মালিকদের টাকা দিয়ে আমার নেওয়া। জোর-জুলুম করে নেওয়া না। রাজনৈতিক কোনও কিছু থাকলে সেটা রাজনৈতিকভাবে লড়াই করুক। কোনও মানুষের সে যে দলেরই হোক, সিপিএম হোক, বিজেপি হোক, তৃণমূল হোক, পেটে মারা উচিত না।”

আরও পড়ুন : ১৬ ঘণ্টার জন্য স্তব্ধ যান চলাচল, দ্বিতীয় হুগলি সেতু বন্ধের দিন জানাল কলকাতা পুলিশ
তাঁর বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট জলাশয়গুলি নিয়ম মেনে লিজ নেওয়া হয়েছে এবং মালিকদের প্রাপ্য অর্থও দেওয়া হয়েছে। তাই ব্যবসার ক্ষতি করে রাজনৈতিক প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা হলে তা মেনে নেওয়া যায় না।













