হলফনামার সঙ্গে বিস্তর অসঙ্গতি, আয়কর তল্লাশিতে কোটি টাকার হিরে-জহরত উদ্ধার দেবাশিস কুমারের বাড়িতে

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: ভোটের মুখে বড় ঝটকা রাজ্য রাজনীতিতে। আয়কর তল্লাশিতে বড়সড় সম্পত্তির খোঁজ মিলল বিদায়ী তৃণমূল বিধায়ক দেবাশিস কুমারের (Debasish Kumar) বাড়িতে। উদ্ধার হওয়া সম্পত্তির সঙ্গে তাঁর হলফনামায় পেশ করা সম্পত্তির অসঙ্গতি মিলেছে। সূত্রের খবর, দেবাশিস কুমারের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে ১ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা মূল্যের হিরে, সোনা সহ বেশ কিছু মূল্যবান সামগ্রী।

আয়কর তল্লাশিতে বিপুল সম্পত্তি উদ্ধার দেবাশিস কুমারের (Debasish Kumar) বাড়ি থেকে

গত ১৭ এপ্রিল আয়কর দফতরের তরফে তল্লাশি চালানো হয় রাসবিহারী কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক দেবাশিস কুমারের বাড়ি এবং নির্বাচনী কার্যালয়ে। সেখানে যে সামগ্রী বাজেয়াপ্ত হয়েছে তার সঙ্গে তাঁর সম্পত্তির গরমিল পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। দেবাশিস কুমারের বিরুদ্ধে আয়ের সঙ্গে অঘোষিত এবং অসামঞ্জস্যপূর্ণ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।

Unauthorized property seized from debasish Kumar house

কী উদ্ধার হয়েছে: সূত্রের খবর অনুযায়ী, আয়কর দফতরের তল্লাশি অভিযানে প্রায় ১ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকার হিরে, সোনার গয়না ও সোনার বাট ছাড়াও একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থেকে ৬ লক্ষ টাকা নগদ পাওয়া গিয়েছে। জানা গিয়েছে, এই টাকার অংশীদার দেবাশিস কুমার (Debasish Kumar)।

আরও পড়ুন : ট্র্যাক নবীকরণ ও রক্ষণাবেক্ষণে নয়া রেকর্ড, বড় মাইলফলক অর্জন করল ভারতীয় রেল

হলফনামার সঙ্গে নেই মিল: প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, হলফনামায় ঘোষিত সম্পত্তির সঙ্গে তল্লাশিতে যে পরিমাণ সম্পত্তি মিলেছে তার কোনও মিল নেই। বিশেষ করে সোনা, হিরের গয়নার কোনও উল্লেখই নাকি হলফনামায় করেননি দেবাশিস কুমার। পাশাপাশি হলফনামায় ঘোষিত এবং উদ্ধার হওয়া সোনার পরিমাণের মধ্যেও নাকি বেশ কিছু পার্থক্য দেখা গিয়েছে।

আরও পড়ুন : কোড না দিলে মিলবে না সিলিন্ডার, গ্যাস বুকিংয়ে নয়া নিয়ম চালু

আরও জানা যাচ্ছে, আর্থিক নথিপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে প্রার্থীর স্ত্রী আয়কর রিটার্নে যে পরিমাণ আয় দেখিয়েছিলেন তার সঙ্গে হলফনামায় দেখানো আয়ের মধ্যে ফারাক রয়েছে। বাজেয়াপ্ত হওয়া সম্পত্তির উৎস এবং মালিকানা সম্পর্কে ব্যাখ্যা দাবি করে একটি নোটিশ জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। এছাড়াও নগদ লেনদেন এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কিছু সহযোগীর ভূমিকা নিয়ে চলছে তদন্ত। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন এবং রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে একটি রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে।